1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং

হালাল উপার্জন করা ফরজ

  • Update Time : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৮০ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

সম্পদের প্রতি আকর্ষণ মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করে তার ভেতরে সম্পদের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করে দিয়েছেন। মানুষ তার জীবনের জন্য সম্পদ আহরণ করে। আর আল্লাহতায়ালাও মানুষের প্রয়োজনে সম্পদ বা রিজিক আহরণের আদেশ করেছেন।

আল্লাহতায়ালা বলেন-‘আর যখন নামাজ শেষ হয়ে যায়, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে যাও এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) অন্বেষণ কর…’ (আল কুরআন ৬২:১০)

আরেক আয়াতে এসেছে-‘তিনিই তোমাদের জন্য জমিনকে সুগম করেছেন; অতএব, তোমরা এর কাঁধে বিচরণ কর এবং তার রিজিক হতে খাও।’ (আল কুরআন ৬৭:১৫) কুরআনে এসেছে, নবীরা কর্ম করে তাদের রোজগার করতেন। নবীরা তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য বিভিন্ন পেশা বেছে নিয়েছিলেন।

হজরত নুহ (আ.) কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। যে নৌকা দিয়ে তার প্রতি বিশ্বাসী লোকেরা মহাপ্লাবণ থেকে রক্ষা পেয়েছিল, তিনি নিজ হাতে সেই ঐতিহাসিক নৌকা বানিয়েছিলেন। হজরত দাউদ (আ.) লৌহকর্ম করতেন।

আল্লাহতায়ালা তার জন্য লোহাকে অনুগত করে দিয়েছিলেন। তিনি লোহা দিয়ে বর্ম ইত্যাদি তৈরি করতেন। হজরত জাকারিয়া (আ.) ও কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। আমাদের নবীও জীবিকার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পেশা বেছে নিয়েছেন।

তুলনাহীন সুমহান মর্যাদার অধিকারী হয়েও কখনো মক্কার উপত্তকায় ভেড়া-বকরি চরিয়েছেন। কখনো বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে দূর দেশে সফর করেছেন। কুরআন ও হাদিসে এসব কথা বিভিন্নভাবে এসেছে। এসব কিছুই আমাদের জন্য আদর্শ, করণীয়। এসব বর্ণনা আমাদের এ শিক্ষা দেয়-আমরা যেন নিজেরা কর্ম করে আমাদের রোজগার করি। আমরা যেন অন্যের ওপর বোঝা হয়ে না থাকি।

উপার্জন হতে হবে হালাল : বৈধ উপায়ে। হারাম উপায়ে উপার্জন করা ইসলামে নিষিদ্ধ। এ জন্য রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর যাবতীয় ফরজ পালনের পর হালাল রোজি উপার্জন করা ফরজ।’ (শুয়াবুল ঈমান ০৬/২৯২০)।

আরেক হাদিসে এসেছে-‘যে তার পরিবারের জন্য (জীবিকার জন্য) সৎ উপায়ে প্রচেষ্টা করল, সে আল্লাহর পথে শহিদের সমমর্যাদার অধিকারী। যে সৎ উপায়ে দুনিয়া উপার্জন করল, সেও শহিদের স্তরে।’

মুসনাদুল ফেরদাউস গ্রন্থে আবু মানসুর দায়লামি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-‘যে তার পরিবার, সন্তান এবং নিজেকে মানুষের কাছে হাত পাতা থেকে বিরত থাকতে হালাল উপায়ে উপার্জন করল, সে কেয়ামতের দিন নবী ও সিদ্দিকদের সঙ্গে থাকবে।’

মোটকথা, হালাল উপার্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে কুরআন ও হাদিসে অসংখ্য বর্ণনা এসেছে। এসব বর্ণনার উদ্দেশ্য মানুষ যেন উপার্জন করে আত্মনির্ভরশীল হতে পারে। আত্মনির্ভরশীলতার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন হয়। দারিদ্র্য বিমোচন ও আত্মনির্ভরতার জন্য ইসলাম মানুষকে বিভিন্ন পেশার প্রতি উৎসাহ দেয়। আমরা দেখতে পাই, যে ব্যক্তি কর্ম করে উপার্জন করে এবং তার উপার্জনের উপায়ও বৈধ, তাকে সমাজে সম্মানের চোখে দেখা হয়। যার উপার্জন নেই, সমাজে তার গুরুত্ব নেই।

উপার্জনে সচ্ছলতা বাড়ে। উপার্জন থাকলে মানুষের জীবনে স্থিতিশীলতা থাকে। ফলে, সে পরিবার, সমাজ ও ধর্মীয় অঙ্গনে আত্মমর্যাদার সঙ্গে চলতে পারে। উপার্জনে অবহেলাকারী ব্যক্তি ইসলামের দৃষ্টিতে ঘৃণিত।

উপার্জন না থাকলে দরিদ্রতা আসে। আর হাদিসে এসেছে, দরিদ্রতা মানুষকে কুফরির দিকে নিয়ে যায়। এ জন্য আমাদের আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করতে হবে। হালাল উপায়ে জীবিকা উপার্জন করতে হবে। আল্লাহতায়ালা আমাদের কুরআন-সুন্নাহ নির্দেশিত হালাল উপায়ে উপার্জন করে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার তাওফিক দান করুন।যুগান্তর।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com