1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জামানত ছাড়াই তরুণদের ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫

হাসপাতালে আসেন শুধু হাজিরা দিতে এভাবে চলতে পারে না: হাইকোর্ট

  • Update Time : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩১০ Time View

জগন্মাথপুর২৪ ডেস্ক::

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ছেলেশিশুর বিরুদ্ধে করা মামলায় নির্যাতনের শিকার শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষায় ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবেদন দেয়ায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট ৯ চিকিৎসক। ভুল স্বীকার করেছেন এসপিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা। পরে তাদেরকে  হাইকোর্টের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ  আদেশ দেন। আদালতে শিশুর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. শাহ্‌ পরাণ চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম।
শুনানি শেষে আদালত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিছুর রহমান, নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আরিফুল হক, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. একরামুল রেজা, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা বোর্ডের সদস্য ডা. ফাহমিদা আক্তার, ডা. তোফায়েল হক, ডা. ফরিদা ইয়াসমিন এবং নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ মো. শাহরিয়ার, ডা. তাসনিম তামান্না ও ডা. মো. শফিকুল ইসলামকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে আপাতত অব্যাহতি দেন।
এ সময় আদালত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জনসহ চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, সাধারণ মানুষের জীবন হাসপাতালের ক্লার্ক, পিয়নের হাতে ছেড়ে দিয়ে আপনারা প্রাইভেট প্র্যাকটিসে নেমে পড়েছেন। হাসপাতালে আসেন শুধু হাজিরা দেয়ার জন্য।

তারপর ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এভাবে চলতে পারে না। হাইকোর্ট বলেন, আপনারা একেক রিপোর্টে একেক তথ্য দিয়েছেন। ভাষাও বোঝা যায় না। সাধারণ মানুষ যেন বোঝে এমন ভাষায় রিপোর্ট লিখতে হবে। আদালতের জবাবে চিকিৎসকরা বলেন, ভবিষ্যতে ভুল হবে না এবং দায়িত্ব পালনে আরো সতর্ক থাকবো। এরপর পুলিশকে উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, পুলিশকে বলা হয় জনগণের বন্ধু। আমরা আপনাদের কাজ কর্মে সেটাই দেখতে চাই। জবাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা আদালতকে  বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতের আদেশ আমরা মেনে চলবো।
এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ৭ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ১১ বছর বয়সী আরেক ছেলেশিশুর বিরুদ্ধে করা মামলায় নির্যাতনের শিকার শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একাধিক চিকিৎসক ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবেদন দেয়া এবং তদন্তে গাফিলতির জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট ৯ চিকিৎসক এবং এসপিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ডাক্তারদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব এবং পুলিশদের ক্ষেত্রে আইজিপিকে প্রধান করে পৃথক পৃথক ৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন এবং তদন্ত করে একমাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়া ধর্ষণ মামলার কার্যক্রম ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেন আদালত। ১১ বছর বয়সী শিশুর জামিন আবেদনের ওপর শুনানিতে এ বিষয়ে দাখিল করা নথিতে ধর্ষণ বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য বা অমিল পাওয়ায় গত ১৭ই জানুয়ারি বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি একেএম জাহিদ সারওয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

সুত্র মানব জমিন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com