মিজানুর রহমান রাসেল:
“১২ বছর আগে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মাত্র কয়েকজন ছাত্র মিলে যখন আমরা এই স্বপ্নের বীজ বুনেছিলাম, তখন সত্যিই ভাবিনি—আমাদের এই ভালোবাসা ও মানবিকতার বন্ধন একদিন এতটা মজবুত ও বিস্তৃত হবে। আমরা কখনো সস্তা প্রচার কিংবা খ্যাতির জন্য কাজ করিনি। বরং মানুষের সংকটে, দুর্যোগে ও দুঃসময়ে আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানো এবং নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের জন্য বিলিয়ে দেওয়াই ছিল আমাদের একমাত্র ব্রত। সবুজ পৃথিবী বিনির্মাণে আমাদের ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্প, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে বিভিন্ন উদ্যোগ, মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে নেওয়া নানা কর্মসূচি—সময়ের পরিক্রমায় আজ আমাদের পথচলার স্মৃতি ও ইতিহাসের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ পথচলায় জগন্নাথপুরের মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা, আস্থা ও দোয়া আমরা পেয়েছি, তা আমাদের আজীবন ঋণী করে রাখবে। আপনাদের ভালোবাসাই আমাদের আরও ভালো কাজ করার, আরও দূর এগিয়ে যাওয়ার সাহস ও শক্তি জোগায়। দেশ ও প্রবাসে থাকা আমাদের প্রায় দেড় শতাধিক কর্মীর নিরলস পরিশ্রম, ত্যাগ ও ভালোবাসা এবং নাম না জানা হাজারো মানুষের আন্তরিক দোয়াই আমাদের আজকের এই পথচলার মূল শক্তি। আমরা বিশ্বাস করি—একটি সংগঠনের সবচেয়ে বড় অর্জন কোনো পদক, সনদ কিংবা প্রচার নয়; মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা ও আস্থার জায়গা করে নেওয়াই তার সবচেয়ে বড় সাফল্য। আমি সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ রাব্বুল আলীমের শুকরিয়া আদায় করছি, সেই সাথে প্রতিষ্ঠালগ্ন আজ অবধি দেশ-বিদেশে অবস্থারত সকল সদস্যবৃন্দের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং ধন্যবাদ জ্ঞান করছি। একই সাথে আমার প্রিয় জগন্নাথপুর উপজেলা বাসির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। স্টুডেন্টস কেয়ার জগন্নাথপুর মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে ধারণ করেই আগামীর পথ চলতে চায়। মানুষের কল্যাণে আমাদের এই যাত্রা অব্যাহত থাকুক—এই প্রত্যাশাই আমাদের।
প্রতিষ্ঠাতা সমন্বয়ক
স্টুডেন্টস কেয়ার জগন্নাথপুর।