1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এইচএসসিতে টানা ৪র্থ বারের মতো শীর্ষে পাটলী উইমেন্স কলেজ এইচএসসিতে ফেল, দুই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জেনে নেন জগন্নাথপুরের কলেজ-মাদরাসাভিত্তিক ফলাফল চিত্র জগন্নাথপুরে এইচএসসি-আলিম পরীক্ষায় ফলাফল: এগিয়ে মাদরাসা, পিছিয়ে কলেজ সুরা ইয়াসিন সম্পর্কে যা জানা জরুরি শাল্লায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮ দাখিলের পর আলিমেও সর্বনিম্ন ফল করলো ইকড়ছই জামেয়া ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসা জগন্নাথপুরে এমপি কয়ছর আহমদ, ফ্যামিলি কার্ডে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না জগন্নাথপুরে কলেজে জিপিএ-৫ শূন্যের খরা কাটলেও এবার মাদরাসায় খরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মানবিকে সর্বোচ্চ ফেল

সুরা ইয়াসিন সম্পর্কে যা জানা জরুরি

  • Update Time : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View

সুরা ইয়াসিন পবিত্র কোরআনের ৩৬তম সুরা। এই সুরাকে পবিত্র কোরআনের হৃৎপিণ্ড বলা হয়। ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসসমূহ, যেমন তাওহিদ, রিসালাত এবং পরকাল সম্পর্কে এই সুরায় অত্যন্ত শক্তিশালী ও ছন্দময় ভাষায় আলোচনা করা হয়েছে। মক্কায় অবতীর্ণ এই সুরাটির আয়াত সংখ্যা ৮৩ এবং রুকু সংখ্যা ৫।

সুরা ইয়াসিনের বিশেষ ৫ ফজিলত

হাদিস ও সালফে সালেহিনদের বর্ণনা অনুযায়ী সুরা ইয়াসিনের মাহাত্ম্য অপরিসীম। নিচে এর প্রধান কিছু ফজিলত তুলে ধরা হলো:

  • ১. কোরআনের হৃৎপিণ্ড: রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘সবকিছুরই একটি হৃদয় থাকে, আর কোরআনের হৃদয় হলো সুরা ইয়াসিন।’ (জামে তিরমিজি: ২৮৮৭)। যেমন শরীরের সকল কাজ হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর নির্ভর করে, তেমনি কোরআনের মূল নির্যাস এই সুরায় বিদ্যমান।
  • ২. দশবার কোরআন খতমের সওয়াব: হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি একবার সুরা ইয়াসিন পাঠ করবে, আল্লাহ তার আমলনামায় দশবার পূর্ণ কোরআন পড়ার নেকি দান করবেন। (জামে তিরমিজি: ২৮৮৭)
  • ৩. গুনাহ মাফের মাধ্যম: হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রাতে সুরা ইয়াসিন পাঠ করবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন।’
  • ৪. মৃত্যুর যন্ত্রণা লাঘব: মুমূর্ষু ব্যক্তির শিয়রে সুরা ইয়াসিন পাঠ করা মুস্তাহাব। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মুমূর্ষু ব্যক্তিদের নিকট সুরা ইয়াসিন পাঠ করো।’ (সুনানে আবু দাউদ। এতে মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ হয় এবং রুহ বের হওয়ার সময় শান্তি অর্জিত হয়। (তাফসিরে মাজহারি)
  • ৫. মনের আশা ও হাজত পূরণ: হজরত আতা বিন আবি রাবাহ (রা.) বর্ণিত হাদিসে আছে, ‘যে ব্যক্তি দিনের শুরুতে সুরা ইয়াসিন পাঠ করবে, তার সব হাজত (প্রয়োজন) পূর্ণ করা হবে।’ (সুনানে দারেমি: ৩৪৬১)

ইয়া সিন শব্দের অর্থ ও ব্যাখ্যা

অনেকে এর অর্থ ‘হে ব্যক্তি!’ বা ‘হে মানুষ!’ বলেছেন। আবার কারও মতে এটি নবী করিম (সা.)-এর অন্যতম নাম, কেউ কেউ একে আল্লাহ তাআলার সুন্দরতম নামগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এই মতগুলোর সপক্ষে কোনো জোরালো প্রমাণ নেই। প্রকৃতপক্ষে এটি পবিত্র কোরআনের সেই ‘হুরুফে মুকাত্তাআত’ বা বিচ্ছিন্ন অক্ষরসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যার প্রকৃত রহস্য বা অর্থ আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেন না। (তাফসিরে বাগাভি, তাফসিরে তাবারি, তাফসিরে আহসানুল বায়ান)

সুরা ইয়াসিনের বিষয়বস্তু ও পটভূমি

এই সুরায় মহান আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও জাগতিক নিদর্শনের মাধ্যমে নিজের সার্বভৌমত্ব তুলে ধরেছেন:

  • রাসুল (সা.)-এর রিসালাত: সুরার শুরুতে আল্লাহ তাআলা কোরআনের শপথ করে মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুয়াতের সত্যতা ঘোষণা করেছেন।
  • হাবিবে নাজ্জারের কাহিনি: এই সুরায় এমন এক জনপদের কাহিনি আছে যারা তিনজন নবীকে অস্বীকার করেছিল। তখন হাবিবে নাজ্জার নামক এক ব্যক্তি ইমান এনে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছিলেন। তাঁর শাহাদাত ও জান্নাতে প্রবেশের ঘটনা মুমিনদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
  • প্রকৃতির নিদর্শন: বৃষ্টি, মৃত ভূমি সজীব হওয়া, দিন-রাত্রির পরিবর্তন এবং চন্দ্র-সূর্যের কক্ষপথের শৃঙ্খলার মাধ্যমে আল্লাহর কুদরতের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
  • কিয়ামত ও পুনরুত্থান: কিয়ামতের বিভীষিকা, শিঙায় ফুৎকার এবং হাশরের ময়দানে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়টি এখানে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে। সৌজন্যে আজকের পত্রিকা,কম

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com