প্রেস বিজ্ঞপ্তি::
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৫ জুলাই (শনিবার) বিকাল ৪ ঘটিকায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব আবু হোরায়রা সাদ মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব জামাল উদ্দিন আহমেদের পরিচালনায় সভায় তৃণমূল পর্যায়কে শক্তিশালী করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ:
১. কমিটি জমার সময়সীমা: জগন্নাথপুর উপজেলার আওতাধীন প্রত্যেক ইউনিয়নের ওয়ার্ড কমিটিগুলো আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ১ম যুগ্ম আহ্বায়কের কাছে জমা দিতে হবে।
২. স্বচ্ছতা ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন: প্রত্যেক ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমিটির সকল সদস্যের অংশগ্রহণে মিটিং করতে হবে। আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কসহ ১১ জনের স্বাক্ষর সাপেক্ষে বিগত দিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের অগ্রাধিকার দিয়ে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ওয়ার্ড কমিটিগুলো গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৩. স্বজনপ্রীতি ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বর্জন: ওয়ার্ড কমিটিগুলোতে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির কোনো নিষ্ক্রিয় আত্মীয়স্বজন এবং ফ্যাসিবাদের কোনো দোসরকে কোনোভাবেই অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। এই ধরণের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন কমিটির বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪. অনুমোদন ও প্রকাশ: যেকোনো ওয়ার্ড কমিটি চূড়ান্তভাবে প্রকাশ (পাবলিশ) করার পূর্বে অবশ্যই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং ১ম যুগ্ম আহ্বায়কের আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিতে হবে।
৫. অভিযোগের পরিচ্ছন্নতা: বিতর্কিত বা কোনো প্রকার অভিযোগ থাকা কমিটি উপজেলা বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
উক্ত জরুরি সভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল, অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহীন, লুৎফুর রহমান চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মোসাব্বির আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সোবহান, এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল আহমদ খান টুনু। এছাড়া সদস্যগণের মধ্যে মো: আবুল লেইছ, সানোয়ার হাসান সুনু, এম এম সোহেল, এম সাদিকুর রহমান নান্নু, আ: রউফ ও ইছবর আলী মেম্বারসহ প্রত্যেক ইউনিয়নের আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়কসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।