1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টর রায়: আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হরতাল ডাকা যাবে না ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই’ বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মাইক্রোবাসে- কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৪ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে আন্দোলন গড়ে উঠবে: মামুনুল হক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ করেছেন: এমপি কয়ছর আহমেদ প্রতারণা ইসলামে গুরুতর অপরাধ তাহিরপুরে ইউএনও অফিসের সামনেই লুটের বালু মজুত অশ্রুঝরা চোখে শেষ বিদায়,কাতিয়া মাদরাসার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত মাওলানা ইমদাদুল্লাহ রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দুই লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  • Update Time : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

দশ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে দুলাল হোসেন ওরফে দুলু নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ)। তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন, দুলালে ভাই হারুন, ভাবী মোরশেনা, বোন সুমাইয়া এবং বোন জামাই রাজু।

মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে শারমিনের সঙ্গে দুলাল হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। বিয়ের পর থেকেই দুলাল হোসেন তার কয়েকজন আত্মীয়ের পরামর্শে শারমিনের কাছে দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করতেন। যৌতুকের জন্য তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।

মামলায় আরও বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে আসামিরা যৌতুকের দাবিতে শারমিনকে মারধর করেন। পরে ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুলালের বসতঘরের ভেতর শারমিনের শরীরে কেরোসিন ঢেলে ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, শারমিনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভান। পরে তাকে প্রথমে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। খবর পেয়ে শারমিনের মা ও মামলার বাদী মোমেলা বার্ন ইউনিটে গিয়ে মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাত নয়টার দিকে শারমিন মারা যান।

এই মামলা তদন্তের দায়িত্ব পান কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এ কে এম সাইদুজ্জামান। তিনি বিভিন্ন আলামত জব্দ করেন। পাশাপাশি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষ্য দেন। তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তৎকালীন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাওহীদ-আল-আজাদ শারমিনের মৃত্যুকালীন জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এসআই মো. শফিয়ার রহমান শারমিনের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। চিকিৎসক ডা. সোহেল মাহমুদ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।

তদন্ত শেষে দুলাল হোসেনের সঙ্গে হারুন, মোর্শেনা, জরিনা, সুমাইয়া ও রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি ১৯ নম্বর অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। বিচার চলার সময় আসামি জরিনা মারা যাওয়ায় তাঁকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

দণ্ডিত দুলাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জামিনে থাকা আসামিদের ও তাঁদের জামিনদারদের জামিনের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সূত্র- ইত্তেফাক.কম

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com