1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ওমানে ১৮ দিন ধরে নিখোঁজ হবিগঞ্জের যুবক চার সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করেও শেষ বয়সে একা, ভাড়া বাসায় মিলল মায়ের পচনধরা মরদেহ প্রধানমন্ত্রীর সফর, জাপানে আজ শীর্ষ বৈঠক, সই হতে পারে আট সমঝোতা স্মারক দেশ ও জাতির সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত তওবা ‘আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন প্রবাসীরা’ সুনামগঞ্জে মহানবী (সা.)–কে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, যুবক পুলিশ হেফাজতে জগন্নাথপুরে অপপ্রচার রোধে সভা: `সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার সম্প্রীতির জন্য বড় হুমকি’  সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি সিলেটে একদিনে তিন মরদেহ উদ্ধার ৭৫ বয়সী বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, মেয়ে আটক

তথ্য প্রযুক্তি আইন নারী-শিশু নিরাপত্তার জন্য ,সংসদে তথ্যমন্ত্রী

  • Update Time : বুধবার, ১২ জুলাই, ২০১৭
  • ৮৩৬ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: তথ্যপ্রযুক্তি আইনকে মানবতাবিরোধি বলে মনে করেন না তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এটা রাষ্ট্র, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার জন্য করা হয়েছে বলে দাবি তার।

তিনি বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারা কেবল সাংবাদিকদের জন্য করা হয়নি। এটি সাধারণ দণ্ডবিধি। এটা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য, নারীর নিরাপত্তা ও শিশুদের নিরাপত্তার জন্য করা হয়েছে। এটা জামিন অযোগ্য অপরাধ তবে উচ্চ-আদলতে গেলে জামিন পাওয়া যায়। এই আইন সংবিধানে সঙ্গে সাংঘর্ষিক এটা কেউ প্রমাণ করতে পারেনি।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুল রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ওই দুই ধারা তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে খড়গ আরোপের জন্য করা হয়নি। ডিজিটাইজেশনের ফলে গণমাধ্যমের বিশাল প্রসার ঘটেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ডিজিটাল স্পেস তৈরি হয়েছে। এর ফলে অনেকে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উস্কানি, চরিত্র হনন, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টির মত অপরাধ করে। তখনই কেবল এই আইনের প্রয়োগ হয়। তাই এটা শুধু সাংবাদিকদের জন্য করা হয়েছে, এ কথাটি ঠিক নয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ অনলাইন কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক ও টুইটারে চরিত্রহনন করে পোস্ট দিলে এই আইনের আওতায় আসবে। এই আইন নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এই আইনে একটা পর্যায়ে জামিনযোগ্য। নিম্ন আদালতে জামিন পায় না, উচ্চ আদালতে গেলে জামিন পাওয়া যায়। এরকম ৩০ এর অধিকে আইন আছে জামিন অযোগ্য।

তিনি বলেন, দেশে ১৮শ’র বেশি অনলাইন পত্রিকা আছে। পত্রিকা, টেলিভিশন, সাপ্তাহিক, পাক্ষিকসহ দেশে কতগুলো গণমাধ্যম রয়েছে, আর কত হাজার সাংবাদিক কাজ করছে তার মধ্যে খুবই নগণ্য দুই একজন ৫৭ গ্রেপ্তার হয়েছে। আদালতে যাওয়ার পর নিম্ন আদালতে জামিন না দিলেও উচ্চ আদালত জামিন দেয়। তাছাড়া প্রতিটি বিষয় আমরা দেখছি। তথ্য মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে। আমাদের আইনজীবীরা দেখেন কোনো মিথ্যা অভিযোগে কেউ গ্রেপ্তার হলে তাকে জামিন দেওয়া হয়।

হাসানুল হক ইনু বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির ৫৭ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কেউ তা প্রমাণ করতে পারেনি। তারপরেও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক নতুন একটি আইনের খসড়া করা হয়েছে। আমাদের আইনমন্ত্রী দেখবেন ৫৭ ধারা বহাল রাখার দরকার আছে কি না।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com