1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল

সুনামগঞ্জ-১ আসন- মাঠে নেমেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা

  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭
  • ২৩৫ Time View

এনামুল হক এনি, ধর্মপাশা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-মধ্যনগর-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন। প্রত্যেক প্রার্থীই স্ব স্ব দলের মনোয়ন পাবেন বলে আশায় বুক বেঁধেছেন। তবে সর্বশেষ যাকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হউক দলের বৃহত্তর স্বার্থে কোনো কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতেই মনস্থির করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কোনো কোনো প্রার্থী হাওরাঞ্চলের ফসলহারা কৃষক ও দুঃস্থ জনগণের মধ্যে খাদ্য সামগ্রীসহ মৌলিক চাহিদা পূরণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সরকারি বেসরকারি ত্রাণ সহায়তার সঠিক তদারকি করছেন ও জনগণের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। পাশাপাশি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি জানান দিচ্ছেন বেশ জোরেশোরে। অনেকেই পুরনো সম্পর্ক ঝালাই করে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু বান্ধবদের কাছে টেনে নিচ্ছেন।
এ আসনে ১৯৭৩ সালে আবদুল হেকিম চৌধুরী আওয়ামী লীগের এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে বিএনপি থেকে
সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল, ১৯৮৬ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৫ দলীয় ঐক্যজোট থেকে কমরেড বরুণ রায়, ১৯৮৮ সালে মধ্যবর্তী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকে বদরুদ্দোজা আহমেদ সুজা, ১৯৯১ সালে ঐক্যজোট থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নজির হোসেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল, ২০০১ সালে বিএনপি থেকে নজির হোসেন ও ২০০৮ সালে মোয়াজ্জেম হোসেন রতন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে এ আসনে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোয়াজ্জেম হোসেন রতন আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান। বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও এ আসনে সাবেক এমপি সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন। ফলে আবারও এ আসনে মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি নির্বাচিত হন।
এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, ‘জনগণের পবিত্র আমানত দিয়ে আমাকে দুইবার নির্বাচিত করা হয়েছে। সেই আমানত রক্ষা করার চেষ্টা করেছি আমি। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এই আসনে আমার আমলে যোগাযোগ, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ নানান বিষয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে। এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের ধারাবাহিকাতে অব্যাহত রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে আবারও দলীয় মনোনয়ন দেবেন বলে আশাবাদী আমি।’
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক এমপি প্রয়াত আবদুল হেকিম চৌধুরীর ছেলে ও ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে দলীয় মনোনয়নের জন্য চেষ্টা করবো।’
নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করছেন সাবেক এমপি সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির টিম সদস্য সাবেক যুগ্ম সচিব বিনয় ভূষণ তালুকদার ভানু, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শামীমা শাহরিয়ার, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালগঞ্জের সাচনাবাজার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের আহ্বায়ক ড. মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার, আমেরিকা প্রবাসী শক্তিপদ রায়, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. রণজিত সরকার।
আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের পাশাপাশি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাও তাদের প্রচার প্রচারণায় কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। মাঠে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ডা. রফিক চৌধুরী। তিনি ২০০৮ সালের ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এতোদিন দলের সাথে সম্পৃক্ত না থাকলেও খালেদা জিয়ার নির্দেশে মাঠে নেমেছেন সাবেক এমপি নজির হোসেন। গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় নজির হোসেন খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করার পর থেকে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় মাঠে রয়েছেন। নজির হোসেন বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) নির্দেশে দলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। ডা. রফিক চৌধুরী ২০০৮ সালে বিএনপি থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হয়েছেন। আমি দলীয় মনোনয়ন পাবো বলে শতভাগ আশাবাদী।’
ডা. রফিক চৌধুরী বলেন, ‘আমি গত নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। এবার আমার অগ্রাধিকার বেশি। এই আসনের জনগণ আমাকেই চায়। আমিই পারবো এই আসনটি বিএনপিকে উপহার দিতে।’
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হক এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন সমান তালে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com