1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দিরাইয়ে দুই শিশু সন্তানকে হত্যা করলো পাষণ্ড বাবা জগন্নাথপুরের কলকলিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির পূনাঙ্গ কমিটি অনুমোদন সিলেট স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার সহসাই খুলছে না হরমুজ প্রণালি, বাড়ছে তেলের দাম সিলেটে পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, প্রথম স্ত্রীসহ আটক স্বামী জামানত ছাড়াই তরুণদের ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার

দোয়ারাবাজারে মোগল আমলের প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান

  • Update Time : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৫
  • ৩৭২ Time View

আশিস রহমান, দোয়ারাবাজার থেকে::সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ্ঐতিহ্যের নির্দেশন ছোট ছোট পাহাড় ঘেরা বৃহত্তর একটি গ্রাম টেংরাটিলা। এ এলাকার অন্তগত আলীপুর গ্রামের সম্প্রতি টিলা খনন করলে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া যায়। ধারনা করা যাচ্ছে প্রতœতাত্তিক নির্দশনটি মোগল আমলের ব্যবহৃত কারুকাজের অংশ বিশেষ। জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে স্থানীরা প্রয়োজনে টিলা কেটে নতুন ঘর বাড়ি তৈরি করতে শুরু করছে। ফলে ইতিহাসের নির্দশন এলাকার ছোট ছোট টিলার ঐতিহ্য নষ্ট হচ্ছে । এরই ধারাবাহিকতায় বিগত কয়েক দিন আগে টেংরাটিলার আলীপুর গ্রামের আব্দুল মোতালিব নতুন বাড়ি তৈরি করা উদ্দেশ্যে টিলা খনন করলে প্রায় ৭/৮ ফুট গভীরে বিপুল পরিমাণ মৃৎপাত্রের সন্ধান পাওযা যায়। এরই মধ্যে কিছু মৃৎপাত্র অবিকৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে এগুলো বিলিন হয়ে যাচ্ছে। সমগ্র টিলা জোড়ে মাটির ও পাথরের কারুকাজ খচিত অসংখ্য ভাংগা অংশ বিশেষ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যে কারুকাজের একটি পাথরের প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গেছে যা বর্তমানে স্থানীয় সংবাদকর্মী আশিস রহমানের সংরক্ষণে রয়েছে।
মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখা যায়, টিলার মাটি কোদাল দিয়ে আলগা করার সাথে সাথে মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসছে প্রাচীন কালের ঐতিহ্যবাহী মোগল আমলের তৈরি মাটি ও পাথরের কারুকাজের কিছু অংশ, যা প্রাচীনকালের ইতিহাস ঐতিহ্যের নির্দশন।ফলে স্থানীয়দের মধ্যে এ সকল বিয়য়ে কৌতুহল বিরাজ করছে।স্থানীয়রা জানান,টিলাতে সুষ্ঠভাবে মাটির খনন কাজ চালানো গেলে সম্ভাবনাময় মোগল আমলের আরও অনেক প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া যেতে পারে।
উল্লেখ্য যে, ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন প্রাপ্ত বৃহত্তর টেংরা টিলা অঞ্চলটি এক সময় প্রাচীন লাউড় রাজ্য এবং কালিদহ সাগরের অংশ ছিল। ১৯৫০ সালে এ অঞ্চলে জনবসতি সৃষ্টি হয়। এর পূর্বে অত্র এলাকায় গভীর অরণ্য ও বন্য প্রাণীতে পরিপূর্ণ ছিল।১৯৬২ সনের আগে অত্র এলাকায় হিন্দু কপালী সম্প্রদায় এবং উপজাতীয়দের বসবাস ছিল। পরবর্তীতে তারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়েন।পরে বিশিষ্ট সফি সাধক হযরত ওয়াজিদ শাহ্ সকল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় দূর করে ইসলাম ধর্ম প্রচারের মাধ্যমে শান্তি ফিরিয়ে আনেন। বর্তমানে পশ্চিম টেংরায় হযরত ওয়াজিদ শাহ এর মাজার রয়েছে।
এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সমাজসেবী ফরিদ উদ্দিন আহাম্মদ জানান,এখানে প্রাচীন জনবসতি ছিল বলে মনে হচ্ছে, তাই সঠিক ইতিহাস উদঘাটনের লক্ষ্যে প্রতœতত্ত্ববিদদের দ্রূত এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com