1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী ভিক্ষুকের কুঁড়েঘরে সিঁধ কেটে চুরি সিলেটে প্রবাসীর বাড়ি থেকে ৩৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার শান্তিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী জাপান যাচ্ছেন আজ মানুষের জীবন রক্ষায় ইসলামের শিক্ষা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালাল মাজারে এবার মিলল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ বলে ফেসবুকে পোস্ট এসিল্যান্ডের, পরে হাসপাতালে ভর্তি জগন্নাথপুরে নাজিম উদ্দিন হত্যাকাণ্ড, এক সপ্তাহ পর গ্রেপ্তার প্রধান আসামি কারাগারে

সমুদ্রের ৬০ ফুট গভীরে বর-কনের মালাবদল

  • Update Time : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৪৭৩ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

বর কন্যার পরনে বিয়ের পোশাক-সাজসজ্জা। মুখে মাস্ক, পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার। হাতে ছিল ফুলের মালা। তারপর ঝাঁপ সমুদ্রে। সমুদ্রের ৬০ ফুট গভীরে গিয়ে বর-কন্যা করলেন মালাবদল। এরকম অভিনব পদ্ধতিতে সোমবার বিয়ে করেছেন ভারতের চেন্নাইয়ের এক প্রকৌশলী দম্পতি। পুরোহিতের ঠিক করা সময়ের ভেতরেই তারা সমুদ্রের ৬০ ফুট গভীরে গিয়ে মালাবদল করেছেন। অভিনব এই বিয়ের মালবদলের ছবি এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল।

জানাগেছে, অভিনব কায়দায় বিয়ের পরিকল্পনাটা পাত্রপক্ষ আগে থেকেই করে রেখেছিলেন। যদিও উদ্ভট এমন পরিকল্পনার কথা শুনে ভয় পেয়ে যান খোদ কনে। কারণ কনে সাঁতার জানেন না। পরে সবাই মিলে কনেকে রাজি করিয়ে সাঁতার শিখিয়ে নামান সমুদ্রে। এর আগেই বর পরেন ধুতি পাজ্ঞাবি আর কনে পরেন শাড়ি। তারপর মাস্ক পরে, অক্সিজেনের সিলিন্ডার নিয়ে সমুদ্রে নামেন এই দম্পতি। তাদের এরকম শখের বিয়েতে দুই পরিবারের সম্মতিও ছিল। পুরোহিতও ঠিকঠাক লঘ্ন নির্ধারণ করে রেখেছিলেন।

নব দম্পতি জানিয়েছেন, দেশের জলসম্পদকে পরিষ্কার রাখা ও প্লাস্টিক মুক্ত রাখার বার্তা দিতেই তার এমনটা করেছেন। নববধূ কোয়েম্বাটুরের এস স্বেতা বলেন, পাত্রপক্ষের এমন উদ্ভট পরিকল্পনা জেনে প্রথমটায় বেশ ভয়ই পেয়েছিলাম। এরপর অবশ্য আমাকে রাজি করিয়ে, সুইমিং পুলে রীতিমত সাঁতার শিখিয়েই আমাকে এই আসরে হাজির করানো হয়েছে। আমরা প্রায় ৪৫ মিনিট সময় পানির নিচে কাটিয়েছি। আমাদেরকে সেখানে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়েছে।

বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজক প্রতিষ্ঠান টেম্পল এডভেঞ্চারের কর্মকর্তা এস বি অরবিন্দ বলেন, পুরো অনুষ্ঠানটি নির্ভর ছিল সমুদ্রের স্রোতের ওপর। আমি তাদের বলেছিলাম বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে সময় ও তারিখ ফাঁকা রাখতে। বিয়ের দিন সকালে এটি পূরণ করা হয়েছে যখন আমরা নিশ্চিত হলাম সাগর শান্ত আছে এবং তা ডুব দেয়ার উপযোগী। ফেব্রুয়ারিতে চেন্নাইয়ে একটি এবং মার্চে পুডুচেরিতে অনুরুপ আয়োজন রয়েছে বলে জানান অরবিন্দ।

সৌজন্যে মানব জমিন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com