জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
কাতার বিশ্বকাপের পর্দা উঠেছে আজ রোববার। সর্ববৃহৎ এই ফুটবল আসরের অন্যতম ভেন্যু ‘লুসাইল’ এবং ‘আল জানিয়ুব’ স্টেডিয়াম। স্টেডিয়াম দুটির নির্মাণকাজে জড়িত ছিলেন দিনাজপুরের ছেলে মাসুদ রানা। সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে এ কাজে নিজেকে জড়িয়েছেন। তিনি স্টেডিয়াম দুটির নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পরিবহন কাজে নিয়োজিত ছিলেন। সেই সুবাদে পাইলিং থেকে শুরু করে ঘাস বসানো পর্যন্ত প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি।
জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার ভাতছালা গ্রামের আব্দুর রহমান সরকারের ছেলে তিনি। কাতারে তাঁকে সবাই চেনেন হারুনুর রশিদ নামে। সম্প্রতি দেশে এসেছেন মাসুদ রানা। তাঁকে নিয়ে রীতিমতো আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। দুটি স্টেডিয়াম কেমন, কেমন করে তৈরি করা হয়েছে, আয়তন, আলোকসজ্জাসহ নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাঁকে। আর এসব প্রশ্নের ঝটপট উত্তরও দিচ্ছেন তিনি।
মাসুদ রানা ১৯৯৪ সালে ঘোড়াঘাট ডিগ্রি কলেজ থেকে স্মাতক শেষ করে দুবাই যান। সেখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়ে দেশে ফিরে আসেন। ২০১২ সালে পাড়ি জমান কাতারে। তিনি জানান, ২০১৯ সালে দুটি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ শুরু হয়। পাইলিংয়ের কাজ চলছিল। সে সময় থেকে কর্মচারী-কর্মকর্তাদের আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত গাড়ির চালক ছিলেন তিনি।
কাতারের হামাদ বিন খালিদ (এইচবিকে) কোম্পানিতে চাকরি করেন মাসুদ। ‘লুসাইল’ ও ‘আল জানিয়ুব’ স্টেডিয়ামে ট্রাভেল এজেন্সির দায়িত্ব পায় এইচবিকে কোম্পানি।
মাসুদ রানা বলেন, ‘বিশ্বকাপের স্টেডিয়াম নির্মাণকাজে জড়িয়ে পড়াটা স্বপ্নের মতো। দুটি স্টেডিয়াম নির্মাণের অনেক স্মৃতি আমার মনে আজীবন গাঁথা থাকবে। এটা অনেক গর্বের ব্যাপার। বড় বড় তারকা খেলবেন দুটি স্টেডিয়ামে, এটা ভেবেই ভালো লাগছে। এমন কাজে বাংলাদেশি হিসেবে আমারও ছোঁয়া আছে।’
সুত্র সমকাল