জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন মুসলমানের যেমন অন্যের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ, তেমনি তার সম্মান ও সামাজিক মর্যাদায় আঘাত করাও নিষিদ্ধ।
আল্লাহ যখনই কোনো জনপদকে ধ্বংস করেছেন, তার আগে সেখানে ধ্বংসের উপযোগী নানা অভ্যাস ও প্রবণতা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যখন তাদের অন্তরে ফাসাদ গভীরভাবে শিকড় গেড়ে বসেছিল, তাদের রাস্তাঘাটে অন্যায় ও
পবিত্র কোরআনে নবী মুসা ও খিজিরের (আ.) ঐতিহাসিক সাক্ষাতের গল্পটি মানব ইতিহাসের এক পরম শিক্ষণীয় অধ্যায়। যখন নবী মুসাকে সতর্ক করে খিজির বলেছিলেন, “যে বিষয়ে আপনার কোনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান নেই,
মানবজীবনের সাফল্যআল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে মানবজীবনের সাফল্য ও ব্যর্থতার মাপকাঠি সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। দুনিয়ার ধনসম্পদ, ক্ষমতা, খ্যাতি কিংবা বাহ্যিক অর্জন আল্লাহর কাছে সফলতার মানদণ্ড নয়। বরং সফলতা নির্ধারিত
মহান আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত হলো মানুষের জীবন ও সময়। সুন্দর এই পৃথিবীতে মহান আল্লাহ প্রতিটি মানুষকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রেরণ করেন। জন্মের আগেই আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক মানুষের জীবনকাল
সময় আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। যে ব্যক্তি সময়ের মূল্য বোঝে না, সে প্রকৃত অর্থেই ক্ষতিগ্রস্ত। সময় থেকে বরকত শুধু সেই ব্যক্তির জীবন থেকেই উঠে যায়, যে এর অপচয় করে।
মান-অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি, হাসি-কান্না কিংবা অভিমান ভাঙার মুহূর্ত—এ সবই একটি স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবনের অংশ। কিন্তু এসব পরিস্থিতি কীভাবে সামলাতে হবে, কীভাবে ভালোবাসা ও সম্মান অটুট রেখে মতভেদ মিটিয়ে নিতে হবে—তার
মানবজীবনের স্বাভাবিক পরিণতি মৃত্যু। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মানুষের কর্মজীবনের ইতি ঘটলেও কিছু নেক আমল এমন রয়েছে, যার প্রতিদান পরকালেও অবিরাম পৌঁছাতে থাকে। দুনিয়ায় রেখে যাওয়া এমন কিছু কল্যাণকর উদ্যোগ মৃত্যুর
রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও নেতৃত্ব মানবসমাজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমানত। ইসলাম এ ক্ষমতাকে কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্থায়ী সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করে না। বরং ঘোষণা করে যে প্রকৃত মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ।
পৃথিবীতে ব্যবহৃত সবচেয়ে মধুর শব্দ মা। যে ভাষায়ই হোক না কেন, মাকে সম্বোধন করতে মানুষ যে শব্দ ব্যবহার করে, সে শব্দই তার কাছে সবচেয়ে মধুর শব্দ হয়। মা মহান আল্লাহ