দান—হৃদয়ের এক অনুপম ভাষা। এমন এক ভাষা, যা কোনো শব্দ ছাড়াই মানবতার অন্তরে গভীর রেখাপাত করে। দান কখনো সম্পদের হ্রাস নয়; বরং তা আত্মার প্রশান্তি, হৃদয়ের প্রশস্ততা ও প্রকৃত সমৃদ্ধির
কিছু অভ্যাস এমন আছে, যেগুলো মানুষের ইহকালীন সুখ যেমন কেড়ে নেয়, পরকালীন সফলতায়ও ব্যাঘাত ঘটায়। কিছু কাজের দরুন সামাজিক অশান্তিও নেমে আসে। তাই প্রত্যেক মুমিনের উচিত জীবনে চলার পথে এ
কোরআনুল কারিমের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা সুরা : আনআম, আয়াত : ৯-১০ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে وَ لَوۡ جَعَلۡنٰهُ مَلَكًا لَّجَعَلۡنٰهُ رَجُلًا وَّ لَلَبَسۡنَا
একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো দুর্নীতি। এই ব্যাধি কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতিই বয়ে আনে না, বরং একটি রাষ্ট্রের নৈতিক কাঠামোকেও ভেতর থেকে ভেঙে দেয়। ইসলাম এমন
অবসরত্তোর জীবনে কি করবো, কিভাবে সময় কাটাবো তার কোন পরিকল্পনাই আমার ছিলনা। সততার সহিত বললে আমার জীবনে কোন কিছুই আমি পরিকল্পনা করে করিনি বা করতে পারিনি। জীবন যখন যেমন –
বহু মুসলমান এমন আছে, ঈমানের পরিচর্যা না থাকার কারণে ঈমান ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। দুর্বল ঈমান দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য ক্ষতিকর। ঈমানি দুর্বলতা একটি বাস্তবিক বিষয়। হাদিসে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই
শুক্রবার—শুদ্ধতা আর শুভ্রতার মহোৎসবে পরিপূর্ণ একটি দিন। পুরো সপ্তাহের ক্লান্ত দেহ, অতৃপ্ত মন এ দিনটিতে সুখের পরশে জেগে ওঠে। উল্লাসে মাতে। হাদিস শরিফে এসেছে, জুমার দিন কেবল মোহাম্মদি উম্মাতেরই বৈশিষ্ট্য।
প্রতি বছর ১৯ আগস্ট পালিত হয় বিশ্ব মানবতা দিবস, যা প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে বাগদাদের জাতিসংঘ কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া হামলার স্মৃতিতে। ওই হামলায় ২২ জন মানবিক কর্মী নিহত হন। দিবসটি
মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত এবং সেই সঙ্গে মহান আল্লাহর প্রতিনিধি। অথচ সেই মানুষ ষড়রিপুর তাড়নায় নানাবিধ পাপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ফলে মানুষ মনুষ্যত্বের গুণাবলি হারিয়ে ফেলে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য
তাকওয়া তথা খোদাভীতি সৃষ্টি হয় গুনাহমুক্ত জীবন গঠনের দ্বারা। আল্লাহ তাআলা কোরআনে কারিমে অনেক জায়গায় তাকওয়া অর্জনের আদেশ করেছেন। বলেছেন, ‘হে ইমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর নৈকট্য অর্জনের জন্য রাস্তা