কোরবানি শব্দটির অর্থ হলো নৈকট্য লাভ করা। উৎসর্গ করা। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সঠিক সময়ে নির্ধারিত নিয়মে ও সময়ে মহান আল্লাহপাকের নামে হালাল পশু জবাই করাই হলো কোরবানি। কোরবানির প্রথা
মানবসেবা নিঃসন্দেহে উত্তম কাজ। কিন্তু তা হতে হবে একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য এবং যথাসম্ভব গোপনে। পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘তোমরা যদি প্রকাশ্যে দান করো, তবে তা ভালো; আর যদি গোপনে
একজন প্রকৃত মুসলমানের পরিচয় তার আচার-আচরণে প্রকাশ পায়। মুসলমানের অন্যতম গুণ হচ্ছে—সে হবে শান্তিপ্রিয়, অপরের হিতকামী। কখনও তার হাত মুখ দ্বারা কেউ কষ্ট পাবে না। বরং নিরুপদ্রবে জীবনযাপন করবে। রাসুলুল্লাহ
ইসলাম পুরুষ ও নারীকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল করেছেন। তাদের নিজ নিজ দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসার করা হবে। হাদিসে এসেছে, عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم
ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের অন্যতম হজ। আরবি ‘হাজ্জুন’ শব্দ থেকে হজ শব্দের উৎপত্তি। এর আভিধানিক অর্থ সংকল্প করা, ইচ্ছা করা। ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে জিলহজ মাসের নির্ধারিত দিনগুলোতে নির্ধারিত
মানুষ তার ভালো কাজের যেমন প্রতিদান পায়, ঠিক তেমনি গুনাহ ও মন্দ কাজের জন্য শাস্তি পায়। কুপ্রবৃত্তির তাড়নায় মানুষ যেসব গুনাহে জড়িয়ে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম হলো রিয়া অর্থাৎ লোকদেখানো
সম্প্রতি বাংলাদেশের একজন বুদ্ধিজীবী কবি শরিয়ত নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। এক অনুষ্ঠানে তাঁকে বলতে শোনা গেছে, শরিয়াহ মানুষের অধিকার হরণ করে। শরিয়তে কোরআনবিরোধী অনেক কিছু আছে। তাঁর এমন বিতর্কিত মন্তব্যে
কোরবানির মতো মহৎ বিধান পালন করতে গিয়ে পশু ক্রয় ও জবেহের অনেক ক্ষেত্রে আমরা সঠিক পন্থা অবলম্বন করি না। এ প্রবন্ধের মাধ্যমে কোরবানির প্রস্তুতি ও পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করব—
বৈষম্যের শিকার হলে মানুষ আদালতে বিচারপ্রার্থী হয়। বিচারক বিস্তারিত শুনে এক পক্ষে রায় দেন। বিচারকের রায়ে কেউ জেতে কেউ ঠকে। বিচারক যদি সঠিক বিচার করেন, তাহলে আল্লাহর কাছে তিনি সম্মানিত
বিপদ সব ক্ষেত্রে মানুষের বিনাশ ডেকে আনে না। বরং কিছু কিছু বিপদ মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। আরো সচেতন ও শক্তিশালী হতে সাহায্য করে। দুনিয়া ও আখিরাতে মর্যাদা