মানবজীবনে আত্মীয়তার বন্ধন অমূল্য এক সম্পর্ক। জীবনের প্রতিকূলতায় আত্মীয়রা প্রেরণা এবং শক্তির উৎস হয়ে থাকে। এই সম্পর্ক আমাদের মাঝে ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং আস্থা তৈরি করতে সহায়তা করে। তাই আত্মীয়তার সম্পর্ক
সৎকাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ—এটি উম্মতের দায়িত্ব। এই দায়িত্বের মাধ্যমেই মহান আল্লাহ উম্মতকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা
ব্যভিচার বিশেষত বিবাহবহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ক ইসলাম অনুমোদন করে না। এ অপকর্মের অপরাধীরা যেমন আখিরাতের জীবনে কঠিন সাজার সম্মুখীন হবে তেমন দুনিয়ার জীবনেও তাদের কঠোরতম শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সাহাবা আনাস
মহান আল্লাহ মানুষকে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করেন, যার মধ্যে বিপদ-আপদ অন্যতম এক মাধ্যম। দুঃখ-কষ্ট, রোগ-বালাই, অভাব-অনটন, বিরহ-টেনশন বা প্রিয়জনের বিয়োগ—এসবই হতে পারে একেকটি পরীক্ষা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমাদের ভয়
ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত একটি কাজ হলো মিথ্যা বলা, মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া। মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মিথ্যা পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং (তোমরা) মিথ্যা কথা পরিহার
মুসলিম সমাজসহ সব সমাজেই ঘৃণিত ও নিন্দিত একটি পাপ আত্মহত্যা। ক্ষণিকের কষ্ট থেকে স্বস্তি পেতে কিছু মানুষ এই ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, বিনিময়ে তারা আলিঙ্গন করে চিরস্থায়ী যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে। ইসলামে
কিছু অভ্যাস এমন আছে, যেগুলো বান্দাকে আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় করে তোলে। মানুষের নেক আমলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মানুষকে দুনিয়া-আখিরাতে নিন্দিত ও বিপদগ্রস্ত করে। তাই মুমিনের উচিত এসব অভ্যাস থেকে দূরে থাকা।
জুলুম-অত্যাচার ইসলামে নিষিদ্ধ। ইসলাম সব সময় মজলুমের পক্ষে, মানবতার পক্ষে এবং জালিমের বিপক্ষে। মজলুমের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও ইমানি দায়িত্ব। জুলুমমুক্ত সমাজ গঠন ইসলামের চির প্রত্যাশিত। জুলুমমুক্ত সমাজ গঠনে নিজ
গিবত বা পরনিন্দা ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ। তাই কেউ কেউ গিবত থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে সতর্ক থাকলেও গিবত শোনাও যে একটি বড় পাপ, সে বিষয়ে আমরা উদাসীন। তাই নিজে
মানুষকে অহেতুক সন্দেহ করা, সব কিছুতে ঝামেলা খোঁজা এবং মানুষকে দোষারোপ করা নিন্দনীয় কাজ। এতে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, পরস্পর সৌহার্দ্য নষ্ট হয়, মানসম্মান হানি হয়। মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের