রোজা গুনাহের ঢালস্বরূপ। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘রোজা ঢালস্বরূপ।’ (সহিহ মুসলিম: ২৫৯৫)। অর্থাৎ যুদ্ধের ময়দানে ঢাল যেমন শত্রুর আঘাত থেকে বাঁচায় যতক্ষণ না
দান-সদকা মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম। যারা মহান আল্লাহকে খুশি করার জন্য একনিষ্ঠভাবে দান-সদকা করে, মহান আল্লাহ তাদের দুনিয়া ও আখিরাত সাজিয়ে দেন। তাদের জীবনে স্বস্তি দেন। বহু বিপদ
ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়। ওই সময় রোজাদারের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। হাদিস শরিফে এসেছে, عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم “ ثَلاَثَةٌ
রমজানের বাঁকা চাঁদের হাসি মুমিনের হৃদয়ে আনন্দের ঢেউ তুলেছে। রজব থেকেই এই রমজানের প্রস্তুতি। তারাবিহ, সাহরি ও ইফতারের আনন্দ একমাত্র রোজাদারই উপভোগ করেন। ইফতারির আয়োজনে হরেক রকমের সুস্বাদু খাবার, কমতি
সাহরি খাওয়া সুন্নত এবং এতে অফুরন্ত বরকত আছে। সাহরি খাওয়ার ফলে মানুষ শারীরিক শক্তি ও কর্মশক্তি লাভ করে, যা সারা দিনের রোজা পালনে সহায়ক হয়। সাহরির সর্বোত্তম সময় হলো ফজরের
রোজা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি। মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ওপর পবিত্র রমজান মাসের রোজা ফরজ করেছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘রমজান মাস—যে মাসে কোরআন নাজিল করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য
রমজান—এ যেন এক বসন্ত। বসন্ত এসে যেমন পৃথিবীকে রাঙিয়ে দেয়, ফুলে ফুলে সাজিয়ে তোলে, তেমনি রমজান আসে আমাদের সাজিয়ে দিতে। পরিশুদ্ধ করতে। এ ইবাদতের বসন্ত আমরা যেন অবহেলা না করি।
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: বছর ঘুরে আবার এলো অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ মাস পবিত্র মাহে রমজান, যে মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুমিন নিজেকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করে, যে মাসে মহান আল্লাহ তার
তাকওয়া ও সৌভাগ্যের মাস পবিত্র মাহে রমজান। এটি রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসের রোজা মহান আল্লাহর দেওয়া অমূল্য নিয়ামতগুলোর একটি। পবিত্র কোরআনে রোজাকে তাকওয়া অর্জনের মাধ্যম বলে ইঙ্গিত
মাহে রমজান আল্লাহতায়ালা কর্তৃক প্রদত্ত বরকতময় ও নেয়ামতপূর্ণ মাস, যার সঙ্গে অন্য কোনো মাসেরই তুলনা চলে না। হিজরি চান্দ্রবর্ষের নবম মাসের আরবি নাম রমাদান। ফারসি, উর্দু, হিন্দি ও বাংলা উচ্চারণে