শিশুরা পেলব ফুলের মতো। তারা সমাজের সবচেয়ে কোমল ও স্পর্শকাতর অংশ। মা-বাবা, অভিভাবক, পরিবার ও সমাজের ভুল সিদ্ধান্ত ও অসচেতনতার কারণে শিশুর জীবন বিপন্ন হয়। বর্তমান বিশ্বে, বিশেষ করে আমাদের
শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে মানুষ নিজেকে ভুলে গন্তব্য হারায়, বড় বড় পাপে লিপ্ত হয়। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের অনেকের মধ্যেই জেনার (অবাধ মেলামেশা বা ব্যভিচার) মতো ভয়াবহ পাপে জড়িয়ে
হুজাইফাতুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা.) আমাদের দুটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার একটির নিদর্শন আমি দেখেছি, আর অপরটির জন্য অপেক্ষা করছি। মহানবী (সা.) আমাদের বলেছেন, নিশ্চয় আমানত
হিংসুক ও বিদ্বেষী মানুষ কোনো অবস্থায় স্বস্তি খুঁজে পায় না। তার কোনো সত্বন্ধু জোটে না। তার মনে সব সময় হতাশা কাজ করে। হৃদয় থাকে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডের মতো। যেখান থেকে সর্বদা
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, اِنَّكُمۡ وَ مَا تَعۡبُدُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ ؕ اَنۡتُمۡ لَهَا وٰرِدُوۡنَ সরল অনুবাদ : ‘নিশ্চয় তোমরা এবং আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের উপাসনা কর, সেগুলো
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, وَ اقۡتَرَبَ الۡوَعۡدُ الۡحَقُّ فَاِذَا هِیَ شَاخِصَۃٌ اَبۡصَارُ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا ؕ یٰوَیۡلَنَا قَدۡ كُنَّا فِیۡ غَفۡلَۃٍ مِّنۡ هٰذَا بَلۡ كُنَّا ظٰلِمِیۡنَ সরল অনুবাদ : ‘চিরসত্য
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মহানবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে, কৃপণ ও দানবীরের দৃষ্টান্ত হলো ওই দুই ব্যক্তির মতো, যাদের পরনে দুটি লোহার ঢাল বা বর্ম আছে।
পৃথিবীতে মানুষ যাদের ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারবে না, তারা হলেন মা-বাবা। সন্তান যখন নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কেও সচেতন নয়, তখন মা তাকে নিজের রক্ত-মাংস দিয়ে গড়ে তোলেন। মায়ের গর্ভধারণের
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা সবকিছু সৃষ্টির করার পর ‘রেহেম’ তথা আত্মীয়তার বন্ধন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, (হে আল্লাহ) আমি দাঁড়িয়েছি, (দুনিয়াতে) আমার থেকে
জীবদ্দশায় পিতা-মাতার সঙ্গে যেমন সদ্ব্যবহার করা কর্তব্য, তেমনি মৃত্যুর পরও তাদের জন্য সন্তানদের সদাচরণ অব্যাহত রাখা জরুরি। এক হাদিসে রাসুল (সা.) পিতা-মাতার মৃত্যুর পর সন্তানদের চারটি আমল অব্যাহত রাখতে বলেছেন।