মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, فَاسۡتَجَبۡنَا لَهٗ فَكَشَفۡنَا مَا بِهٖ مِنۡ ضُرٍّ وَّ اٰتَیۡنٰهُ اَهۡلَهٗ وَ مِثۡلَهُمۡ مَّعَهُمۡ رَحۡمَۃً مِّنۡ عِنۡدِنَا وَ ذِكۡرٰی لِلۡعٰبِدِیۡنَ সরল অনুবাদ : তখন আমি তার
কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। এটা আদম (আ.)-এর যুগ থেকে বিদ্যমান ছিল। সুরা মায়েদায় (আয়াত ২৭-৩১) আদম (আ.)-এর দু’সন্তানের কোরবানির কথা এসেছে। তবে প্রত্যেক নবীর শরিয়তে কোরবানির পন্থা এক ছিল না।
আল্লাহর বিশেষ বান্দা নবী-রাসুলরা ছাড়া সাধারণত মানুষ মাত্রই গুনাহগার। তারা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু তাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে প্রিয় তারাই, যারা নিজেদের সেই গুনাহে অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর
মানুষ সামাজিক জীব। দৈনন্দিন জীবনে তাকে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় চলাফেরা করতেই হয়। এই চলাচলের মধ্যেও ইসলামের রয়েছে নির্দিষ্ট আদব ও শিষ্টাচার। রাস্তা কেবল চলার স্থান নয়, এটি সামাজিক
আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শুধু তাঁর ইবাদতের জন্য। আর ইবাদতের শ্রেষ্ঠতম রূপ হলো নামাজ। প্রত্যেক মুসলমানের ওপর এই নামাজ ফরজ করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা আমার স্মরণোদ্দেশ্যে নামাজ
ঘটনাটা চেনা। অফিসে মিটিং চলছে। বস হঠাৎ আপনার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এই রিপোর্ট কে বানিয়েছে? এত গাফিলতি কীভাবে হয়?’ সবাই তাকিয়ে আছে। আপনি জানেন ভুলটা আপনার নয়। কিন্তু বলবেন কীভাবে?
মানুষের জীবনের অবিরাম দৌড়ঝাঁপ, শ্রম আর সাধনার অন্তরালে লুকিয়ে আছে একটি গভীর আকাঙ্ক্ষা—একটুখানি শান্তি ও প্রশান্তি। কেউ মনে করে, বিপুল অর্থ-সম্পদের মাঝেই সুখ নিহিত, কেউ আবার ক্ষমতার উচ্চ আসনে শান্তি
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ, নির্ভরযোগ্য এবং অকৃত্রিম ভালোবাসার নাম হলো মা। একজন মানুষ যখন প্রথম পৃথিবীর আলো দেখে, তখন তার প্রথম আশ্রয়, প্রথম নিরাপত্তা এবং মমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন মা।
মসজিদ মুসলিম সমাজের প্রাণকেন্দ্র। মদিনার মসজিদে নববী থেকে যাত্রা শুরু হয়েছিল ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রের। আর মসজিদের মিম্বার থেকে মুসলিম জাতির নেতৃত্ব দিয়েছেন মহানবী (সা.) ও ইসলামের মহান চার খলিফা।
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: মানুষ যখন আল্লাহর আদেশকে সম্মান করে, তখন সে মর্যাদার শিখরে পৌঁছে যায়। আর যখন ধোঁকা, প্রবৃত্তি ও দুনিয়াবি স্বার্থের কারণে আল্লাহর বিধানকে খেলায় পরিণত করে, তখন তার পরিণতি