জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নারীর নাম সীমা রানী দাস (২৫)। এ ঘটনায় পুলিশ তাঁর স্বামী উদ্ভব দাসকে আটক করেছে। উদ্ভব একই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল হক বলেন, রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর বিষয়টি জানাজানি হয়। স্ত্রী সীমা রানীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর উদ্ভব নিজেই থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে ওই নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। গলা কেটে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পুরো ঘরে রক্তের ছিটেফোঁটা ছিল। দেখে মনে হয়েছে, সেখানে অনেক ধস্তাধস্তি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধূকে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
ওসি আরও জানান, নিহতের শরীরে, মাথায় এবং গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। সূত্র-আজকের পত্রিকা.কম