1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

‘একটি ক্যাডারের কারণে আমরা কর্ম, মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বহীন হয়ে পড়ছি’

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩০৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সংগঠনটির নেতারা
জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সংগঠনটির নেতারা। ছবি: আজকের পত্রিকা
উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের আইন অমান্যের কারণে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা কর্ম, মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বহীন হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশন। আজ রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সংগঠনটির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমরা আজ কর্ম, মর্যাদা ও ব্যক্তিত্বহীন হয়ে পড়েছি, শুধু একটি ক্যাডারের কর্মচারীদের আইন প্রতিপালন না করার কারণে। এমনকি মহামান্য হাইকোর্ট ১০ কর্মদিবসের মধ্যে রুলনিশির জবাব দানের নির্দেশনার কোনো জবাব দেওয়া হয়নি, যা আদালতের প্রতি অবজ্ঞা।’

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ধুমকি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে শাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা ২০০৯ সাল থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছি। যা আজও আলোর মুখ দেখেনি। সাংবিধানিক নির্দেশনা অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। প্রতিটি স্তরে এ নির্দেশনা প্রতিষ্ঠিত হয় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে। প্রজাতন্ত্রের প্রশাসনিক ক্যাডারের কর্মচারীরা আইনের চর্চা না করে, নির্বাচিত উপজেলা পরিষদকে অকার্যকর করে রেখেছেন, যা আইনকেই অমান্যই নয়, বিভিন্ন স্তরে কর্মরত ২৬টি ক্যাডারের কর্মচারীদের প্রতিও অবহেলা করার শামিল। এটি মূলত জনগণকে অবহেলা করার শামিল।’

হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইনি লড়াইয়ে মহামান্য আদালতের সিদ্ধান্ত সব সময় মেনে চলতে বদ্ধপরিকর। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সংবিধান ও আইনকে কার্যকর করতে সরকার ও প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণকে তাদের নির্বাচিত প্রশাসনিক স্তরের অচল অবস্থা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নিরসন করা। প্রশাসনিক ক্যাডারের কর্মচারীরা এখন আর আইন অনুসরণ করছেন না।’

হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘অতীতে অনেক নির্দেশনা বিগত ১২ বছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হলেও আজ অবধি কার্যকর হয়নি। যার মূল অন্তরায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কর্তৃক উপজেলা পরিষদ আইনকে বিবেচনা না করে পৃথক পৃথক পরিপত্র জারি করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ১৭টি বিভাগসহ ১৪০টি কমিটির সভাপতি করে তাদের অনুমোদনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তাই কার্যকর নির্দেশনা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করার জন্য পুনরায় অনুরোধ করছি।’

সভাপতি বলেন, বৈশ্বিক করোনার মধ্যে স্থানীয় সরকারের ৬৫ হাজার জনপ্রতিনিধির মধ্যে মাত্র ০.৩% সদস্য অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হওয়ায় তাদের অপসারণ করা হয়েছে। অথচ সরকারি কর্মচারীদের এরূপ অবিরাম আইন অমান্যের বিরুদ্ধে কথা বললে কথায় কথায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের বিচার বিভাগীয় চার্জ গঠনের আগেই নির্বাহী আদেশ দ্বারা অপসারণ করা হয়। যা সম্পূর্ণ সংবিধানবিরোধী। সূত্র আজকের পত্রিকা

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com