1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিক সানোয়ার হাসান সুনু ও জগন্নাথপুর গ্রামবাসী কে  নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত  সুনামগঞ্জের জামালপুরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, ১৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার ঢাকার তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন জগন্নাথপুরের সন্তান অধ্যক্ষ শহিদুল আলম এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নাম খাগড়াছড়িতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক আগস্টে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে না বোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা ভয়াবহ পাপ জগন্নাথপুরে বিএনপি নেতা  সানোয়ার হাসান কে নিয়ে যুবদল নেতার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা জানালো বিএনপি  কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে সম্মেলনের ঘোষণা জাতীয় ওলামা-মাশায়েখদের

জগন্নাথপুরে এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘জামায়াত নেতা’র প্রতারণার জাল

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০১৬
  • ৪৪৬ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি:: তার মূল পরিচয় কলেজ শিক্ষক। অন্য একটি পরিচয় হল সাবেক শিবির নেতা।বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কোনো পদে না থাকলেও সিলেটের শীর্ষ জামায়াত নেতাদের সাথে উঠাবসা। এই দুই পরিচয়কে ব্যবহার করে নুরুর রহমান তৈরি করে নিয়েছেন তার আরো অনেক পরিচয়। আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে আরো একাধিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাথে
ছড়াচ্ছেন তার প্রতারণার জাল। সাবেক এই শিবির নেতার কাছে প্রতারিত হচ্ছেন অনেকে। কিন্তু তিনি তার জামায়াতের সাথে তার যোগাযোগ এবং ক্ষমতাসীন দলে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিকে অর্থের বিনিময়ে ‘ম্যানেজ’ করে আইনের নাগালের
বাইরে থাকছেন। সুত্র জানিয়েছে, সিলেটের জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রী কলেজ লেকচারার নুরুর রহমান বর্তমানে আইন ভঙ্গ করে সিলেট নগরীতে ‘সিলেট আইডিয়াল কলেজ’ নামে জামায়াত নেতাদের অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশপাশি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় জামায়াত পরিচালিত একটি ফাউন্ডেশনের অধীনে ‘চন্দন মিয়া সৈয়দুননেছা কলেজ’ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় রয়েছেন তিনি। কলেজটির সরকারি নিবন্ধসহ কিছু কাগজপত্রে নুরুর রহমানের নাম ‘সদস্য সচিব’ হিসেবে নিবন্ধিত
রয়েছে। যদিও, ২০১৫ সালের ‍জুন মাস থেকে যাবতীয় নথিপত্রে ‘সদস্য সচিব’ হিসেবে শাহীদুল মুরসালিন নামে একজনের উল্লেখ রয়েছে। শাহীদুল মুরসালিন গত জুন থেকে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ’ হিসেবে কলেজের দায়িত্ব করছিলেন। কিন্তু চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কোনো বৈধ প্রক্রিয়া ছাড়া মুরসালিনকে বাদ দিয়ে
আমিনুল ইসলাম নামে আরেকজনকে ‘অধ্যক্ষের’ দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে। এ বিষয়ে কলেজ পরিচালনা কমিটির কোনো অনুমোদন নেই।
চন্দন মিয়া সৈয়দুননেছা কলেজের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের জালিয়াতি করেছেন নুরুর রহমান। কলেজের নথিপত্র ঘেটে দেখা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষায় পাশ করা ও ভাইভা বোর্ডে নির্বাচিত একজন শিক্ষককেও নিয়োগ দেয়া হয়নি। এর বিপরীতে নিজের ইচ্ছামত স্বল্প বেতনে অযোগ্য বা কম যোগ্য ব্যক্তিদেরকে নিয়োগ দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, উত্তীর্ন প্রার্থীদের অনেকের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিচয় পছন্দ না হওয়ায় তাদেরকে জামায়াতি প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োগ দেননি সাবেক এই শিবির নেতা। কলেজের অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্রেও নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন নুরুর
রহমান। আইডিয়াল কলেজের চেয়ারম্যান থাকা সত্ত্বেও তিনি চন্দন মিয়া সৈয়দুননেছা কলেজের অনুমোদনের কাগজপত্রে ‘সদস্য সচিব’ হিসেবে নিজের নাম
প্রদান করেছেন। আবার, চন্দন মিয়া সৈয়দুননেছা কলেজটি সরকারের কাছে কখনো ‘এমপিওভূক্তির’ আবেদন করবে না- এই মর্মে লিখিত প্রতিজ্ঞাপত্র দেয়ার
বিনিময়ে অনুমোদন পেলেও নিয়োগপ্রাপ্ত সকল শিক্ষক-কর্মচারিকে ‘এমপিওভুক্ত হবে’ বলে নুরুর রহমান প্রতারণা করেন। এছাড়া নিয়োগের সময় প্রতিশ্রুত বেতন বৃদ্ধি না করে মাসের পর মাস ধরে শিক্ষকদের হয়রানিও করছেন। অনেকের বেতন আটকে দিয়েছেন। যদিও, নিজের স্বেচ্চাচারিতা কায়েম রাখতে কলেজ কমিটির কিছু সদস্যকে নানাভাবে ম্যানেজ করেন তিনি কলেজের নথিতে দেখা গেছে, অনুমোদনের জন্য সরকারি ফান্ডে জমা দেয়া
‘জামানতের টাকা’ প্রতারণার মাধ্যমে এবং সরকারি শিক্ষা অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারির সহায়তায় উঠিয়ে নিয়ে জামায়াতের নিয়ন্ত্রণাধীন
ট্রাস্টে জমা করার চেষ্টা করছেন নুরুর রহমান। কলেজের সব অ্যাকাউন্ট নুরুর রহমানের নামে করা। ম্যানেজিং কমিটিকে তিনি আর্থিক লেনদেনের কোনো হিসাব দেন না। এ বিষয়ে চন্দন মিয়া সৈয়দুননেছা কলেজের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শিব্বির আহমদ বলেন, নুরুর রহমান নানা অনিয়ম করে কলেজটির ক্ষতি করছেন। তিনি কমিটির সাথে কোনো ধরনের কথা না বলে নিজের ইচ্ছা মতো সব সিদ্ধান্ত ‘আন্ডারগ্রাউন্ডে’ নেন। শিক্ষক নিয়োগে বড় ধরনের দুর্নীতি করার প্রমাণ কমিটি পেয়েছে বলে জানান শিব্বির আহমদ। কিন্তু এলাকার গুটি কয়েক লোককে বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করে নুরুর রহমান পার পেয়ে যাচ্ছেন।
এবিষয়ে নুরুর রহমানের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com