1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫, চিকিৎসক হতে চান অমি ভয়াবহ লোডশেডিং: ‘নিদ্রাহীন রাত’ কাটলো জগন্নাথপুরবাসীর দিরাইয়ে দুই শিশু সন্তানকে হত্যা করলো পাষণ্ড বাবা জগন্নাথপুরের কলকলিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির পূনাঙ্গ কমিটি অনুমোদন সিলেট স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার সহসাই খুলছে না হরমুজ প্রণালি, বাড়ছে তেলের দাম সিলেটে পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, প্রথম স্ত্রীসহ আটক স্বামী জামানত ছাড়াই তরুণদের ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ 

জগন্নাথপুরে নলজুর সেতু উদ্বোধনের সাড়ে চার বছর অতিবাহিত ভুমি অধিগ্রহণে আটকে আছে অ্যাপোচ সড়কের কাজ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ আগস্ট, ২০১৮
  • ৪৪৮ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি ::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের সাথে তিনটি ইউনিয়নের যাতায়াতের প্রধান সড়ক নলজুর নদীর ওপর ঘোষগাঁও নামক স্থানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু নির্মাণের সাড়ে চার বছর পেরিয়ে গেলেও সেতুর এক পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক না হওয়ায় সেতুর ওপরদিয়ে বড় যানবাহন চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। বিকল্প অ্যাপ্রোচ সড়কে ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করলেও অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সেতুটি উপজেলাবাসীকে দুর্ভোগে ফেলে দিয়েছে।
উপজেলাবাসী জানান,২০১৩ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নলজুর নদীর ওপর ১৪৯ মিটার দৈঘ্যর ঘোষগাঁও সেতুর উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। সেতুর উদ্বোধনের পর অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মান করতে গেলে পৌর এলাকার হবিবপুর গ্রামের এক ব্যক্তি সেতুর অ্যাপ্রোচের জায়গার মালিকনাদাবী করে অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণে বাঁধা দিয়ে ওই জায়গা সীমানা দেয়াল নির্মাণ করেন।
পরে ওই অংশের ভুমি অধিগ্রহনের আবেদন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। কিন্তুু সাড়ে চার বছর পেরিয়ে গেলেও ভুমি অধিগ্রহনের কোন কিনারা হয়নি।
সেতু এলাকার বাসিন্দা রমজান আলী জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান,উপজেলা সদরের সাথে রানীগঞ্জ,পাইলগাঁও ও আশারকান্দি ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০টি গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াতের সেতুটি ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও ওই সেতুদিয়ে কম সময়ে উপজেলা সদর থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বেগমপুর যাতায়াত করা যায়। সেতুটির বিকল্প অ্যাপোচে অটোরিকশা,সিএনজি চলাচল করতে পারলেও বড় যানবাহন বাস,ট্রাক ও মাইক্রো চলাচল করতে পারে না। বর্তমানে সেতুর পূর্বাংশের অ্যাপ্রোচ ধসে গেছে আর পশ্চিমাংশের অ্যাপ্রোচে সড়ক না থাকায় অর্বননীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আমাদেরকে।
ঘোষগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রবীণ রাজনীতিবীদ নুরুল ইসলাম জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,দুঃখের বিষয় আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় প্রায় ৫ বছর ধরে অ্যাপ্রোচ সড়ক না হওয়ায় সাড়ে এগার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এলাকাবাসীর দীর্ঘ প্রতিক্ষিত সেতুটি পুরোপুরি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,যাদের অবহেলায় সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
একই এলাকার বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,ভুমি অধিগ্রহনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে কথা বলতে বলতে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। এখন শুনেছি বিষয়টি জেলা প্রশাসকের দপ্তরে আছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সম্প্রতি দ্রæত ভুমি অধিগ্রহণ কাজ শেষ করে অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণে জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা কার্যালয়ের উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সরোয়ার জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান,আমি উপজেলায় নতুন এসেছি। খোঁজ নিয়ে জেনেছি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বর্তমানে ভুমি অধিগ্রহনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলেই অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণে উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়াও তিনি সেতুর একাংশের অ্যাপ্রোচ সড়ক ধসে যাওয়া অংশ সংস্কার কাজের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com