1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা

নকল করে পাস বা জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নিলে বেতন হালাল হবে?

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ২৮৩ Time View

পরীক্ষায় নকল করা কিংবা জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়া মিথ্যা, খেয়ানত, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা এবং যোগ্য ব্যক্তিদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার মতো গুনাহ।

তাই পরীক্ষায় নকল করা শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে জায়েজ নয়। যারা এসব কর্মে লিপ্ত হয়, তাদের জন্য তওবা, ইশতিগফার করা আবশ্যক।
পরীক্ষায় নকল করা মারাত্মক গুনাহের কাজ৷ এটি ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার শামিল। হাদিসে এসেছে—

আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করবে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়; আর যে ব্যক্তি আমাদের ধোঁকা দেবে সেও আমাদের দলভুক্ত নয়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৯৪)

ইবনে মাসউদের (রা.) হাদিসটি যা নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: যে ব্যক্তি আমাদের ধোঁকা দেয়, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং ষড়যন্ত্রকারী ও প্রতারক জাহান্নামে যাবে না। এবং আবু বকর সিদ্দিক রা. থেকে বর্ণিত ‘অভিশপ্ত সে যে কোনো মুসলমানের ক্ষতি করে বা তার সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে।’ তিরমিজি বর্ণনা করেছেন। (জামিউল উলুম ওয়াল হিকামি: ৯/৩৫)

এখন প্রশ্ন হচ্ছে— যদি কোনো ব্যক্তি চাকরি পাওয়ার জন্য পরীক্ষা দেয়, কিন্তু পরীক্ষায় সে কিছু জালিয়াতি করে, যেমন প্রশ্ন ফাঁস বা নকল করে, তা হলে সেই চাকরির বেতন কি হালাল হবে ?

প্রশ্নে উল্লিখিত অবস্থায় কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণার মাধ্যমে চাকরি পেয়ে যায়, তা হলে সে গুনাহগার হবে। ফলে তার জন্য আন্তরিকভাবে তওবা করা আবশ্যক হবে। তবে ওই ব্যক্তি যদি সেই চাকরির জন্য যোগ্য হন এবং তিনি তার দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে পারেন, তা হলে সেই অবস্থায় বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে। কারণ বেতন বা মজুরি কর্মের বিনিময়ে হচ্ছে।

আর যদি চাকরি না পাওয়া যায়, তবে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং দ্বীনদারির সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব আদায় করার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও প্রতারণা করে চাকরি পাওয়া জায়েজ হবে না।

দ্বিতীয় আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে— পরীক্ষায় নকল করে প্রাপ্ত সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে চাকরির বেতনের বিধান কি?

পরীক্ষায় নকল করা কিংবা জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নেওয়া খেয়ানত, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা ও গুনাহের কাজ। যারা এসব কর্মে লিপ্ত হয়, তাদের জন্য অতিসত্বর তওবা, ইশতিগফার করা আবশ্যক।

তবে নকল করে প্রাপ্ত ডিগ্রির ভিত্তিতে চাকরি করে যে বেতন গ্রহণ করা হয় তা হালাল না হারাম হবে, সে বিষয়ে মূলনীতি হচ্ছে যে, যদি সেই ব্যক্তি তার সেই চাকরি ব্যাপারে যোগ্যতা রাখে এবং তিনি তার সব দায়িত্ব পুরোপুরি পালন করতে পারে, তা হলে সেই অবস্থায় বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে।

কেননা বেতন হালাল হওয়ার সম্পর্ক হলো দায়দায়িত্ব সঠিকভাবে আদায় করার সঙ্গে।

আর যদি এমন হয় যে সেই ব্যক্তি ওই দায়িত্ব ও চাকরির যোগ্য না হয় অথবা চাকরির যোগ্য কিন্তু সঠিকভাবে দ্বীনদারির সাথে কাজ করে না, তাহলে তার বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে না।(অর্থাৎ যে পরিমাণ খিয়ানত হবে সে পরিমাণ বেতন হালাল হবে না।)
সৌজন্যে যুগান্তর

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com