1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এইচএসসিতে টানা ৪র্থ বারের মতো শীর্ষে পাটলী উইমেন্স কলেজ এইচএসসিতে ফেল, দুই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জেনে নেন জগন্নাথপুরের কলেজ-মাদরাসাভিত্তিক ফলাফল চিত্র জগন্নাথপুরে এইচএসসি-আলিম পরীক্ষায় ফলাফল: এগিয়ে মাদরাসা, পিছিয়ে কলেজ সুরা ইয়াসিন সম্পর্কে যা জানা জরুরি শাল্লায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮ দাখিলের পর আলিমেও সর্বনিম্ন ফল করলো ইকড়ছই জামেয়া ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসা জগন্নাথপুরে এমপি কয়ছর আহমদ, ফ্যামিলি কার্ডে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না জগন্নাথপুরে কলেজে জিপিএ-৫ শূন্যের খরা কাটলেও এবার মাদরাসায় খরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মানবিকে সর্বোচ্চ ফেল

পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির সাজা ৫ বছরের কারাদণ্ড

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬১ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসারি ও অনলাইনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অপরাধে সাজার বিধান যুক্ত করে পাবলিক পরীক্ষায় অপরাধসংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সংশোধনী বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এসব অপরাধের সাজা হবে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। একইসঙ্গে বিলে উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের সাজার বিধানও রাখা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এ–সংক্রান্ত ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল–২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলেন। বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। বিলে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নপত্র ফাঁসের শাস্তি যুক্ত করা হয়েছে।

পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ যেকোনোভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাজা হবে ৫ বছর। এত দিন আইনে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাজা ছিল ১০ বছর। এই অপরাধ ছাড়া আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে দণ্ড কমানো হয়েছে। বিলে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশ’ বা ডিজিটাল কারসাজির সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ডেটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, পরিবর্তন, সংশোধন, মুছে ফেলা বা লুকানো ডিজিটাল কারসাজির আওতায় পড়বে। কেউ পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে।

বিলে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ বা প্রবেশের চেষ্টা এবং পরীক্ষা পরিচালনাসংক্রান্ত বৈধ নির্দেশনা অমান্যের জন্য শাস্তি হবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। বিলে বলা হয়েছে, কোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে বা তার পক্ষে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কোনো লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করলে বা করার চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের সাজাও রাখা হয়েছে বিলে। এতে বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষক কোনো পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র অতিমূল্যায়ন (ওভার অ্যাসেস) বা অবমূল্যায়ন (আন্ডার অ্যাসেস) করলে তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে অতি বা অবমূল্যায়নের বিষয়টি নির্ধারিত হতে হবে। বিলে শিশুদের বিষয়ে বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো শিশু এই আইনের অধীনে অপরাধ করলে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র এশিয়া পোষ্ট

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com