1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

বিয়ের আশ্বাসে নার্সকে ধর্ষণ করল ডাক্তার!

  • Update Time : শনিবার, ২৪ জুন, ২০১৭
  • ২৫১ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: বিয়ের আশ্বাস দিয়ে পিন্টু চন্দ্র বর্মণ (৩৫) নামে এক কথিত ডাক্তার কর্তৃক একই হাসপাতালের এক সেবিকাকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে।

ওই সেবিকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ ধর্ষক পিন্টু চন্দ্র বর্মণকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে।

শুক্রবার এ ব্যাপারে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্ত পিন্টু চন্দ্র বর্মণ তিতাস উপজেলার এশিয়া জেনারেল হাসপাতাল প্রাঃ লিঃ-এ কর্মরত ছিল। তিনি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার যোয়াগ গ্রামের মৃত সুরেশ চন্দ্র বর্মণনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডাক্তার পিন্টু চন্দ্র বর্মণ সেবিকা রুমি আক্তার একই হাসপতালে কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পিন্টু সেবিকাকে বিয়ের করার আশ্বাস দিয়ে গৌরীপুর বাজারে একটি বাসা ভাড়া নেয়। বাসা ভাড়া নেয়ার পর সেবিকাকে চাকুরী ছেড়ে দিতে বাধ্য করে।

সেবিকা চাকরি ছাড়ার পর তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার সাথে এক বছর যাবৎ শারীরিক সম্পর্ক করে। পরে তাকে বাসায় রেখে শারীরকি নির্যাতন করে এবং বাসায় তালা দিয়ে আটক রাখে।

সেবিকা তাকে বিয়ের কথা বললেই তাকে নেশা জাতীয় ইনজেকশন পুশ করে বাসায় তালাবদ্ধ করে রেখে যায়।

সেবিকা তাকে বিয়ের জন্য বার বার তাগিদ দেয়ার পর রাজি না হয়ে উল্টো নির্যাতন করতে থাকে।

গত বৃহস্পতিবার ও সেবিকা পাশের বাসার লোকদের সহযোগিতায় পালিয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় আইনে আশ্রয় নেয়।

ভোক্তভুগি বলেন, এক সাথে কাজ করার সময় তার সাথে সু-সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে নতুন বাসা ভাড়া করে আমাকে বাসায় তুলে মুসলমান ধর্ম গ্রহন করে আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়।

তার কথায় সরল বিশ্বাসে রাজি হয়ে আমি ওই বাসায় উঠি। বাসায় ওঠার পর এক বছর যাবৎ আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যায়। আমি তাকে বিয়ের জন্য বারবার বলার পরও আজ না কাল করে করে সময় ক্ষেপণ করে।

তাকে যখন বিয়ে করার জন্য চাপ প্রয়োগ করি তখন সে আমাকে চেতনানাশক ইনজাকশন পুশ করে বাসার একটি কক্ষে তালা দিয়ে রেখে যায়। বেশী চাপ দিলে প্রতারক আমাকে শারীরিক নির্যাতন করে।

এক সপ্তাহ যাবৎ বাসায় তালা দিয়ে আটকে রাখে। পরে পাশের বাসার লোকদের সহযোগিতায় বাসা থেকে পালিয়ে থানায় গিয়ে মামলা করেছি। আমি ওই প্রতারকের উপযুক্ত বিচার চাই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গৌরপুর থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ আতিকুর রহমান জানান, সেবিকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা নেওয়া হয়েছে।

রাতেই কথিত ডাক্তার পিন্টু চন্দ্র বর্মণকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের পর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। ভিকটিমকে মেডিকেল চেকাপের জন্য কুমিল্লায় প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com