1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সত্য প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও শিষ্টাচারের গুরুত্ব সুনামগঞ্জের হাওরে মাছ ধরতে গিয়েছিল তিন ভাই, স্রোতে ভেসে একজনের মৃত্যু স্থানীয় নির্বাচনে ত্যাগী-পরীক্ষিতদের মূল্যায়ন করবে বিএনপি জগন্নাথপুরে নৌকাডুবির ঘটনায় ২জনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ-২, স্বজনেদের কান্না থাকছে না হবিগঞ্জে ‘হোমিওপ্যাথিক তরল পান’ করার পর স্বামী-স্ত্রীসহ পাঁচজনের মৃত্যু জগন্নাথপুরে হাওরে নৌকাডুবি, ৪ জন নিখোঁজ সুদিন ও দুর্দিনে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে হবে জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনে হাজারো অভিবাসীর প্রবেশ, নিহত ৯ ছাতকে এনাম হত্যা, ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সাংবাদিকরা বাঁধ দেখবে কেন ? বাঁধ দেখবে আ’লীগ

  • Update Time : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০১৫
  • ৬৫৩ Time View

দক্ষিন সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:: দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ক্রুটিপুর্ণ বাঁধ নির্মান ও ক্লোজার (ভাঙ্গা) মেরামতের পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের পরও শেষ হয়নি দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উজেলার ১৭টি পিআইসির অধিকাংশ কাজ। যার ফলে উপজেলার দেখার হাওর, সাংহাই হাওর,কাচিভাঙ্গাঁ হাওর,জামখলা হাওর ও খাইহাওরের কৃষকদের ২২ হাজার ৩ শ হেক্টর জমির একমাত্র বোরো ফসল হুমকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়,উপজেলার জয়কলস ইউনিয়ানের সাংহাইর হাওরের উপ প্রকল্পের ফতেহপুর ডুবন্ত বাধের মেরামত কাজ দেখতে গেলে বাঁধের অধিকাংশ জায়গায় উচু নীচ এবং ড্রেজিং সম্পন্ন হয়নি। বাঁধের উচ্চতা,ঢাল, চওড়া, প্রস্তের সিংহভাগ কাজই ক্রুটিপুর্ণ। নীতিমালা অনুযায়ী সাধরণ বাঁধের ১০ ফুট, ক্লোজারের ক্ষেত্রে ৩০ ফুট দূরত্বে মাটি উত্তোলনের কথা কিন্তু বাঁধের পাশ থেকে মাটি উত্তোলন করায় বাঁধে ঝুঁকিও রয়েছে। উক্ত ডুবন্ত বাঁধের নির্মাণের জন্য পাউবোর বরাদ্দ ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। উক্ত টাকা সময় মতো না পাওয়ায় বর্তমানে ফতেহপুর ডুবন্ত বাধের মেরামত কাজ শেষ করতে পারেন নি পিআইসি এবং মির্জাপুর আখরার খাল বন্ধ করণ বাধের কাজের এখনো শুরু হয়নি ।
পিআইসি সেক্রেটারী ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো. নিজাম উদ্দিন জানান,বাঁধ নির্মাণ কাজ সাংবাদিকদের দেখার কোন দরকার নাই, বাঁধ আ’লীগ সরকার দেখবে। আপনাদেরকে বাঁধ নির্মাণ কাজ শেষ করে খবর দেব তার পর সংবাদ প্রকাশ করবেন।
পিআইসি ও ইউপি সদস্যা মুরতী শর্মা জানান প্রথম দফায় ৫০ হাজার টাকা এবং ২য় দফায় ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। বর্তমানে সব টাকা খরচ করার পর আমাকে সুদ করে কাজ পরিচালনা করিতেছি।
একাধিক কৃষকদের সাথে আলাপ কালে জানান বাঁধের মাটি কাটার খরচ বাঁচাতে বাঁধের খুব কাছ থেকে মাটি উত্তোলণ করে নির্মান করা হচ্ছে বেরীবাঁধ। তাছাড়া পানি উন্নয়ন র্বোডের কাছে ফান্ড না থাকার অজুহাত দেখিয়ে সময় কালক্ষেপন করায় অনেক হাওরে বাধঁ নির্মান কাজ বিলম্বিত হইতেছে। ফলে এখন পর্যন্ত গড়ে ৭০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হলেও বাকী ৩০ভাগ বাঁধ নির্মান কাজ নিয়ে চরম হতাশা আর শঙ্কায় রয়েছেন আমাদের মধ্যে।দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইবাদত হোসেন জানান, অধিকাংশ বাঁধ পরির্দশন করা আমার দ্বারা সম্ভব হয়নি। শীঘ্রই সবগুলো বাঁধের কাজ সম্পন্ন হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com