1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ১৫ ভাগ ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

  • Update Time : রবিবার, ৫ মে, ২০১৯
  • ৮৪০ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
ফণী’র প্রভাবে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের কৃষকরা শেষ মুহূর্তে সংকটে পড়েছেন। কাটা ধান মাড়াই ও মাড়াই করা ধান শুকানো নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা। কৃষক এবং কৃষি কর্মকর্তারা বলেছেন,‘গড়ে ১৫ শতাংশ ধান এখনো গোলায় তোলা সম্ভব হয়নি। খলায় অথবা উঁচু কোন স্থানে কাটা ও মাড়াই করা ধান এনে রেখেছেন কৃষকরা।’ সিলেট আবহাওয়া বিভাগ অবশ্য বলেছে,‘আজ (রোববার) থেকেই ফনির প্রভাব থাকবে না, সোমবার থেকে স্বাভাবিক হয়ে আসবে সবকিছু।’
বিশ্বম্ভরপুরের করচার হাওরপাড়ের গ্রাম রাধানগরের বড় কৃষক কফিল উদ্দিন বলেন,‘৮ কেয়ার জমির ধান কেটে এনে রেখেছি, মাড়াই করা যায়নি। ২-৩ দিন এক নাগারে বৃষ্টি দিলে এই ধানে গেড়া ওঠে যাবে, নষ্ট হতে থাকবে।’
দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের কৃষক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছত্তার বলেন,‘গ্রামের পাশের হাওরে ধান কাটা প্রায় শেষ, সামান্য কিছু ধান কাটার বাকি রয়েছে, কৃষকরা এখন কাটা ধান মাড়াই করতে এবং মাড়াই করা ধান শুকানো নিয়ে সংকটে পড়েছেন। আমার গ্রামে অন্তত. এক হাজার মণ মাড়াই করা ধান ত্রিপাল দিয়ে খলায় ঘুরে রেখেছেন কৃষকরা।’
শাল্লার আনন্দপুরের কৃষক আব্দুশ শহীদ বলেন,‘কাটা, মাড়াই হয়নি এমন ধানের পরিমাণ শতকরা ১৫ ভাগ হবে। বিশেষ করে ব্রি ২৯ ও হীরা জাতের ধান কিছু এখনো কাটা হয়নি, কাটার পর মাড়াই করা হয়নি এমন ধানও আছে অনেকের। রোদ না দিলে এসব ধান নিয়ে সমস্যায় পড়বেন কৃষকরা।’
সিলেট আবহাওয়া অফিসের প্রধান আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী অবশ্য বলেছেন,‘রোববার থেকেই ফণী’র

প্রভাব থাকবে না। সোমবার থেকে স্বাভাবিক হবে প্রকৃতি, তবে মৌসুমি বৃষ্টি হতে পারে।’
জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন বলেন,‘জামালগঞ্জ-সেলিমগঞ্জ সড়কজুড়ে প্রচুর কাটা ধান তুলে রেখেছেন কৃষকরা। বৃষ্টি না কমলে এসব ধান নষ্ট হয়ে যাবার আশংকা রয়েছে।’
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক বশির আহমদ জানালেন, কাটা-মাড়াই হয়নি এমন ধানের পরিমাণ মোট আবাদকৃত জমির ১৫ শতাংশ হবে। কাটা ধান বা মাড়াই করার পর ৩-৪ দিন রোদ না ওঠলে, ধানে গেড়া ওঠবে, চাল কালো হয়ে যাবে এবং চালে গন্ধ হয়ে যাবে।’
সুনামগঞ্জে এবার দুই লাখ ২৪ হাজার ৪৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। হাওরে ধান কাটা শেষ পর্যায়ে। জেলায় এবার ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে নয় লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন।

সৌজন‌্যে সুনামগঞ্জের খবর

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com