1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:

হাওরের ফসল ডুবতেই জগন্নাথপুরে চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যে দাম বাড়াতে সিন্ডিকেটের তৎপরতা

  • Update Time : বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২৫৫ Time View

স্টাফ রিপোর্টার :: হাওরের ফসল ডুবির সাথে সাথে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় হঠাৎ করে চাল,আটা,ডাল তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে গেছে। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মুনাফাকোর ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করে হাওর ডুবির পর পর নিত্য প্রয়োজনীয় মালামালের দাম বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষদেরকে বিপাকে ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে চাল ও আটার দাম বৃদ্ধি করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সচেতনমহল উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এক ব্যবসায়ীকে গতকাল ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরো বেশি নজরধারির জন্য সাধারন মানুষ দাবী জানিয়েছেন।
জগন্নাথপুর বাজার ঘুরে ক্রেতাদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, চাল,ডাল,তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় প্রায় সকল পণ্যের দাম বেশী নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।টানাবৃষ্টিপাতে প্রয়োজনীয় মালামাল না আসা ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন।বন্যার পানিতে হাওরের ফসল তলিয়ে যাওয়ায় অধিক লাভের আশায় কোন কারণ ছাড়াই ব্যবসায়িরা চাল, আটা ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করছেন। চাল ও আটার এমন আকস্মিক মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ। চালের এমন উর্ধগতিতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকসহ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।তারা অবিলম্বে নায্যমুল্যে চাল বিক্রির দাবি জানিয়েছেন।এখনি চালের দামের মূল্য নিয়ন্ত্রণ না করলে দুর্ভোগ চরমে উঠতে পারে বলে আশংকা তাদের। এছাড়াও চাল,আটাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের মনিটরিং করার দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।
সরেজমিনে জগন্নাথপুর সদর বাজার সহ বিভিন্ন হাটবাজারে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সাথে আলোচনাকরে চালের মুল্যের ব্যাপক পার্থক্য দেখা গেছে। তথ্য মতে পুরাতন ২৮ ও ২৯ জাতের চাল বস্তা প্রতি বর্তমান বাজার দর ২৫০০ থেকে বাড়িয়ে অনেকেই ২৯০০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। তিন দিন আগে যার বাজারমূল্য ছিল ২১০০ থেকে ২২০০ টাকা ছিল । আটার দাম হঠাৎ করে বাড়িয়ে দ্বিগুন করা হয়েছে। মজিদপুর গ্রামের রমা বৈদ্য নামের এক ক্রেতা বলেন, একমাত্র বোরো ফসল হারিয়ে আমরা যখন কষ্টে আছি ঠিক তখনি রাতারাতি চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়িয়ে আমাদের ঘুম হারাম করা হয়েছে। ইজলা গ্রামের কৃষক আনিছ মিয়া বলেন,ব্যবসায়িরা কোন কারণ ছাড়াই অধিক লাভের আশায় চাল,আটা সহ প্রয়োজনীয় মালের দাম বৃদ্ধি করছেন।সার্বক্ষনিক মনিটরিং না থাকলে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়বেন।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম কে বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে প্রশাসনিক নজরদারি অব্যাহত থাকবে।অতিরিক্ত দাম আদায় করলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। প্রয়োজনে মুল্যতালিকা টানানোর ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, এমন ঘৃনিত কাজে যারাই জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com