জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন বিএনপির এই সংসদ সদস্য
এর আগে রোববার রাতে গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে ইশরাক হোসেনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যদিও রোববার রাতে এক বিবৃতিতে পদত্যাগের নির্দেশের বিষয়টি অসত্য বলে দাবি করেন বিএনপির আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন।
এরপর সোমবার সকালে বক্তব্য পরিবর্তন করে ফেসুবক স্ট্যাটাস দেন ইশরাক। যেখানে তিনি দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার কথা জানান। সেই ধারাবাহিকতায় অবশেষে কিছুক্ষণ আগে পদত্যাগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেন ইশরাক হোসেন।
শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে নামেন ইশরাক হোসেন। তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের হাতেও অস্ত্র ছিল। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুন্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে যান ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর…।’ তার পাশ থেকে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ এ সময় ইশরাক হোসেনের সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরা কয়েকজনকে ধরতে দৌড়ান। তাদের একজন এক তরুণকে লাথি দেন। কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্যার, আমি কিছু করিনি। আমি গরিব মানুষ, স্যার।’
আরেকটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে ইশরাক হোসেনের নিজের নিয়োগ দেওয়া দুই দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলুর পাশাপাশি একজন সরকারি দেহরক্ষীও ছিলেন। নিজের নিয়োগ দেওয়া দেহরক্ষীদের কাছেও অস্ত্র ছিল।
সূত্র এশিয়া পোস্ট