ভূমিকম্পের সেই আকস্মিক ঘটনা, যা হৃদয়কে কাঁপিয়ে দেয়, চোখে এনে দেয় আতঙ্ক এবং মুহূর্তের মধ্যে বহু প্রাণ কেড়ে নেয়—অনেকের চোখে তা শুধু একটি বস্তুবাদী ব্যাখ্যার ঘটনা! তবে এখন ঘটনা শুধু
বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যা কিছু আছে, সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ একমাত্র আল্লাহর হাতে। তিনিই সর্বশক্তিমান। সব কিছুর কর্মবিধায়ক একমাত্র তিনিই। তাঁর রাজত্বের সীমানা অতিক্রম করার সাধ্য কারো নেই। তিনি ছাড়া আর কোনো আশ্রয়দাতা
বিচার ও বিচার বিভাগ মানবসমাজের ন্যায় ও শৃঙ্খলার ভিত্তি। কোনো জাতি তখনই টিকে থাকে, যখন সেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত থাকে। অন্যায় বা প্রহসনের বিচার সমাজে অবিচার, বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে আনে।
এই হাদিসটি ইমানদার বান্দার জন্য গভীর এক আশার বার্তা বহন করে। এতে মহানবী (সা.) পাপের পর তাওবা ও ইস্তিগফারের দরজা মহান আল্লাহ তাআলা কতটা প্রশস্ত রেখেছেন; তা সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন।
দুর্গন্ধ শব্দটি শুনলেই মনের ভিতর কেমন ঘৃণার জিহ্বা উল্টে আসে। বমি বমি ভাব হয়। দুর্গন্ধ কম হোক বা বেশি কোনোটাই সহনীয় নয়। দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে আমরা কত কিছু করি। প্রতিদিন
শক্তি ও ক্ষমতা থাকার পরও ক্ষমা প্রদর্শন ইসলামের একটি মহান সৌন্দর্য। আল্লাহপাক নিজেও ক্ষমাশীল এবং তিনি ক্ষমাকারীদের ভালোবাসেন। ক্ষমা, বিশেষ করে বদলা নেওয়ার শক্তি ও ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করতে
মহান আল্লাহ সমগ্র সৃষ্টিজগতের স্রষ্টা। আল্লাহ ছাড়া আর কারও কোনো কিছু সৃষ্টির ক্ষমতা নেই। কোনো কিছু বিলীন করার ক্ষমতাও কারও নেই। আল্লাহ যখন বলেন (কুন), তা হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন
মানুষকে কষ্ট দেওয়া অমানবিক নিষ্ঠুরতা। হোক সেটা কথা বা কাজকর্মে। আমরা দৈনন্দিন চেনা-অচেনা হাজারো মানুষের সঙ্গে কথা বলি। চলাচলের রাস্তায়, অফিস-আদালতে, যানবাহনে। কখনো ভেবে দেখেছি—আমার কথায় বা আচরণে কেউ কষ্ট
ইসলাম সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের ধর্ম। এর মূল লক্ষ্য হলো মানবসমাজ থেকে সকল প্রকার ফেতনা-ফ্যাসাদ, জুলুম, অনাচার ও বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য ও অরাজকতা দূর করে একটি ন্যায় ও
মানুষের জীবনে তার কৃতকর্মের বিভিন্ন প্রভাব পড়ে। নেক আমল ও ইবাদত যেমন মানুষের জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণকর করে, তেমনি মানুষের পাপ ও অবাধ্যতার কারণে কখনো কখনো দুনিয়ায়ই তাদের জীবনের নেতিবাচক