মানবসভ্যতা যতই উন্নত হয়েছে, ততই পৃথিবীতে বেড়েছে অস্থিরতা, ফিতনা ও বিভ্রান্তি। ইলম হারিয়ে যাচ্ছে, মানুষের বিবেকবোধ লোপ পাচ্ছে। আর হত্যাযজ্ঞ যেন দৈনন্দিন সংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক এমন এক বাস্তবতার পূর্বাভাস
পবিত্র কোরআন মজিদ বিশ্ববাসীকে সফলতা ও মুক্তির পথ দেখায়। এর দেখানো দীপ্ত পথে হেঁটে অসংখ্য মানুষ পৌঁছেছেন সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে। এই মহিমান্বিত উপহার সকলের জন্যই অবারিত। মুসলিম, অমুসলিম-নির্বিশেষে সকল মানুষই
দৈনন্দিন জীবনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা সত্ত্বেও দোয়া যেন লক্ষে পৌঁছাচ্ছেই না—এমন অনুভূতি অনেকের হয়। একই দোয়া বারবার উচ্চারণ করতে গিয়ে মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, হতাশা আচ্ছন্ন করে নেয়।
ইসলামে ব্যভিচার গর্হিত অপরাধ বলে বিবেচিত। এ ধরনের অপকর্মের অপরাধীরা যেমন আখিরাতের জীবনে কঠিন সাজার সম্মুখীন হবে, তেমন দুনিয়ার জীবনেও তাদের কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সাহাবা আনাস (রা.) বর্ণনা
মানুষের জীবনে একদিকে রয়েছে সত্য, ন্যায়, সততা ও তাকওয়ার উজ্জ্বল দীপশিখা; অন্যদিকে রয়েছে পাপ, অন্যায়, লোভ আর কামনার অন্ধকার। মানুষ যখন আলোর পথে হাঁটে তখন সভ্যতা সমৃদ্ধ হয়, মানবতা উজ্জ্বল
জলিলে কদর সাহাবি আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) বলেছেন, ‘অবশ্যই এমন এক সময় আসবে, যখন আমার একদল উম্মত ভিন্ন নামে মদ পান করবে’ (আবু দাউদ, ৩৬৮৮; ইবনে
ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকার এতই সুমহান যে, তা মানুষের বহু নফল ইবাদতকে অর্থহীন করে দিতে পারে। সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো প্রতিবেশী আর তাদের সঙ্গে আচার-আচরণই একজন মুমিনের প্রকৃত চরিত্রের মাপকাঠি।
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: মানুষ জীবনে যা উপভোগ করে, সবই তার রিজিক। তবে রিজিক পবিত্র এবং বৈধ হওয়ার জন্য দুটি শর্ত রয়েছে। প্রথমত ব্যবহার্য বা উপভোগ্য বস্তু বা বিষয়টি হালাল তথা পবিত্র
মানুষকে আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য। আর জিকির বা আল্লাহর স্মরণ মুমিনজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। ইসলামে জিকিরের গুরুত্ব অপরিসীম। জিকিরের নানা ফজিলত ও উপকারিতার কথা কোরআন-হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।
ইসলাম সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ ও শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। কোরআন ও সুন্নাহতে মুসলমানদের শুধু নিজেদের মধ্যে নয়, বরং অমুসলিমদের সঙ্গেও ন্যায়, সদাচার ও মানবিক আচরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ধর্ম