মানবজীবনের প্রকৃত সফলতা হলো আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করে তাঁর বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা। কারণ মহান আল্লাহ মানুষকে উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেননি; বরং তাঁর ইবাদতের মাধ্যমে পৃথিবীতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত মিকদাদ (রা.)- থেকে বর্ণিত, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, কিয়ামতের ময়দানে সূর্যকে সৃষ্টজীবের অনেক কাছাকাছি করা হবে, ফলে সূর্য ও সৃষ্টজীবের মধ্যে দূরত্ব হবে মাত্র
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: মায়ের কোলে যখন একটি শিশুর জন্ম হয়, তখন গোটা পরিবারে আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। শুকরিয়াস্বরূপ সন্তানের পক্ষ থেকে আল্লাহর নামে ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, গরু, মহিষ, উট ইত্যাদি জবেহ করা
এমন কিছু মানুষ আছে, যারা কিয়ামত দিবসে দয়াময় আল্লাহর সুদৃষ্টি থেকে বঞ্চিত থাকবে, তিনি তাদের দিকে তাকাবেন না। বরং তিনি তাদের প্রতি রাগান্মিত থাকবেন। ফলে তারা ক্ষমাপ্রপ্তও হবে না। তাদের
ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মুসলমানদের জন্য দিনটি অত্যন্ত বরকতময় ও তাৎপর্যপূর্ণ। জুমার দিনের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই দিনে এমন একটি মোবারক সময় রয়েছে,
মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের সঙ্গে ঋণের সম্পর্ক বহু পুরনো। সংসারের প্রয়োজন, ব্যবসার সম্প্রসারণ, কৃষিকাজের ব্যয় কিংবা অপ্রত্যাশিত কোনো বিপদ ইত্যাদি বিভিন্ন সময়ে মানুষ অন্যের আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভর করেছে। একসময় এই
কোরআনের বিভিন্ন স্থানে আল্লাহ পৃথিবীকে জীবন্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে বৃষ্টির পানি নেমে এলে মৃত ভূমি পুনরায় জীবিত হয়ে ওঠে। ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন,
মানুষ দুনিয়ায় নানা আবেদনে, নানা প্রণোদনায় কাজ করে থাকে। কখনো অর্থের মোহে, কখনো খ্যাতি ও যশের লোভে, কখনো ক্ষমতালাভকে সামনে রেখে তার কাজ সংঘটিত হয়। আবার কখনো নারীসঙ্গলোভ, যৌন আবেদনে
তৎকালীন আরব সমাজ যখন ঘোর অমানিশায় আচ্ছন্ন ছিল, মজলুমের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠছিল আকাশ-বাতাস, আর মানবসভ্যতা বঞ্চনার হিমালয়ের নিচে ডুকরে কাঁদছিল—ঠিক তখনই ন্যায়বিচারের উজ্জ্বল ধ্রুবতারা হয়ে আগমন করেন আমাদের প্রিয়
মাদক ও নেশাদ্রব্য। সমাজ ধ্বংসের ভয়ংকর হাতিয়ার। মাদকের ছোবলে ব্যক্তি, পরিবার সমাজ-সর্বত্রই বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে। এই মাদক ও নেশাদ্রব্যের আঘাতে কত সম্ভাবনা মুকুলেই ঝরে যায়। কত পরিবার চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে হয়ে