1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে ইমামের যাবজ্জীবন সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী ভিক্ষুকের কুঁড়েঘরে সিঁধ কেটে চুরি সিলেটে প্রবাসীর বাড়ি থেকে ৩৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার শান্তিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী জাপান যাচ্ছেন আজ মানুষের জীবন রক্ষায় ইসলামের শিক্ষা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালাল মাজারে এবার মিলল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ বলে ফেসবুকে পোস্ট এসিল্যান্ডের, পরে হাসপাতালে ভর্তি জগন্নাথপুরে নাজিম উদ্দিন হত্যাকাণ্ড, এক সপ্তাহ পর গ্রেপ্তার প্রধান আসামি কারাগারে

জগন্নাথপুরে কামারশিল্পীদের ব্যস্ত সময়

  • Update Time : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ৩৩০ Time View

আজিজুর রহমান আজিজ:: মুসলমানদের দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে জগন্নাখপুরের কামাররা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সবাই এখন কামারদের শরনাপন্ন হচ্ছেন। আর এই কোরবানী ঈদ কে সমানে রেখে পশু জবাই ও কাটার জন্য পুরনো ঝং ধরা বটি, চাপাতি, দা, ছুরি, চাকুতে শান দিতে ও নতুনভাবে তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে কামাররা।
আগুনে পুড়িয়ে লোহদন্ডকে বিভিন্ন আকৃতি দিতে এখন হাতুড়ি পেটার টুং টাং শব্দে মুখরিত প্রতিটি বাজারের কামারশালার চারপাশ। লোহার মানের উপর নির্ভর করে তৈরী দা, চাপাতি, চাকুসহ বিভিন্ন রকমের জিনিসপত্রের দাম নির্ধারন করে বিভিন্ন দামে বিক্রি করছে কামার শিল্পীগন। আর অর্ডার দেওয়া কাষ্টমারদের সময় মত সকলের প্রয়োজনীয় সামগ্রী গুলো শান দিয়ে ও তৈরী করে দিতে রাত দিন কঠোর পরিশ্রম করছেন তারা।
জগন্নাথপুর বাজারসহ উপজেলার রানীগঞ্জ, রসুলগঞ্জবাজারসহ ছোট বড় হাট বাজারের কামারের দোকানে কাজের ধুম পড়েছে। দিন দিন এ শিল্পের প্রধান উপকরণ লোহা,ইস্পাত ও কয়লার দাম বেড়ে দাড়িয়েছে দ্বিগুন।
ঈদ এলেই কাজের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কিন্তু শ্রমিক পাওয়া যায় না। তাই দা, চাকু, চাপাতি, বটি একটু বেশী দামে বিক্রি করছে কামারা। এ সকল কারনে তারা অর্থ সংকটের সাথে এক প্রকার যুদ্ধ করছে।
জানা যায়- এক সময় কয়লা বাড়ি বাড়ি গিয়ে আনা হত প্রতি বস্তা ৩৫-৪০ টাকায় কিন্তু বর্তমানে এর দাম বেড়ে দারিয়েছে ১৪০-১৯০ টাকা। অধিকাংশ সময়ই এই কামারগন বেকার সময় কাটান। প্রতি মাসে নতুন বটি, দা, ছুরি, চাকু তৈরীতে ও পুরনোগুলোকে শান দিয়ে যে পরিমান অর্থ উপার্জন হয় তা দিয়ে তাদের সংসার চালানো কষ্ট কর হয়ে দাড়াঁয়। তাই অনেকেই এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় মনোনিবেশ করছেন।
এছারাও কামারের তৈরী লোহার জিনিসপত্রের পরির্বতিতে স্টিলের যন্ত্রপাতির দিকে সবারই আগ্রহ বৃদ্ধি পাচেছ। কামারশিল্পীদের সাথে কথা বলে জানা যায়-সারা বছর তেমন কোন কাজ না থাকলেও ঈদ এলেই আমাদের কদর বেড়ে যায়।
জগন্নাথপুর বাজারের শংকর কামার ও মনা কামার জানান, ঈদকে সামনে রেখে দা, বটি, চাকু, চাপাতি তৈরী ক্রয় করতে আবার অনেকেই আসছেন পুরুনো ঝং ধরা অস্ত্রে শান দিতে যার কারনে এখন প্রচুর ব্যস্ত সময় পার করছি। তারা জানান, বছরের অধিকাংশ সময় কোন রকমে সংসার চালিয়ে বাপদাদার পেশা ধরে রেখেছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com