1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকা ঈমানের দাবি স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের লাশ/ বাসায় ডেকে আনা ব্যক্তিই কেড়ে নেন তিন প্রাণ: পিবিআই দিরাইয়ে জলমহাল থেকে দেড় কোটি টাকার মাছ লুটের অভিযোগ বিদ্যুৎ সংকট কমবে কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুরে র‍্যালি ও আলোচনাসভা ​ জ্বালানি সংকট উত্তরণে সংসদে বিরোধী দলের ৪ প্রস্তাব, সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বাড়িতে মিললো যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ সত্য প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও শিষ্টাচারের গুরুত্ব ১০ বার ডেকেও আসেননি নার্স! জগন্নাথপুর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

থাইল্যান্ডের বন্দিশালায় জগন্নাথপুরের যুবক এমদাদুল

  • Update Time : বুধবার, ১৭ জুন, ২০১৫
  • ৪১৭ Time View

রাকিল হোসেন:: জগন্নাথপুরের সহজ সরল যুবক এমদাদুল। গত প্রায় ২ মাস পুর্বে মা বাবার সাথে অভিমান করে চলে যায় চট্রগ্রামে। সেখান থেকে দালালের খপ্পড়ে পড়ে পাড়ি দেয় মালেশিয়া। বর্তমানে সে থাইল্যান্ডে দালাল চক্রের বন্দিশালায় অবস্থান করছে বলে তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তার মুক্তিপন হিসেবে চাওয়া হয়েছে এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা। জানা যায়,জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের কামড়াখাইড় (উত্তর পাড়) গ্রামের আব্দুন নুর এর পুত্র এমদাদুল হক(২৭) ৫ ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট। জীবন যুদ্ধে সংগ্রাম করে নিজেকে প্রতিষ্টিত করার লক্ষে বাড়িতে কাউকে কিছু না জানিয়েই গত প্রায় ২ মাস পূর্বে কাজের সন্ধানে চলে যায় চট্রগ্রামে। সেখানে কিছু দিন অবস্থান করার পর মানব পাচারকারী দালালের মাধ্যমে বাই রোডে মালেশিয়া যাবার স্বপ্ন দেখে। সব কিছু ঠিক ঠাক করে সংবাদটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাড়িতে ও জানিয়ে দেয় এমদাদুল। এমদাদুল এর বড় ভাই দেলোয়ার জানান,তার ভাই ফোন করে তার বিদেশ যাবার বিষয়টি জানানোর ২/৩দিন পর সুমন ওরপে মোহন নামের এক ব্যক্তি মালেশিয়া থেকে তার কাছে মোবাইল ফোন করে জানায়,তার বাড়ি নবীগঞ্জের আলিতলা গ্রামে। সে দীর্ঘ দিন যাবত মালেশিয়া অবস্থান করছে। এমদাদুলকে সেই মালেশিয়া নিতেছে বলে জানায়। এর এক মাস পর সুমন দেলোয়ারকে ফোন দিয়ে জানায়,তোমার ভাই বর্তমানে মালেশিয়া আমার কাছে আছে। এখানে আসার খরচ বাবত তার পিতার কাছে ২লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। পরে দেলোয়ার সুমনের পিতা পর্তাব উল¬ার কাছে ২লক্ষ ১০ হাজার টাকা দেয়। এর পর থেকে তারা আর এমদাদুলের সন্ধান পাননি। এ ব্যাপারে এমদাদুলের বড় ভাই দেলোয়ার জানান,গত প্রায় এক সপ্তাহ আগে থাইল্যান্ড থেকে অঞ্জাত নাম্বারে ফোন দিয়ে তার ভাই জেলে আছে জানিয়ে বলে ভাইকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হলে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। এ ভাবে প্রায়ই অঞ্জাত নাম্বার থেকে ফোন আসে।। তিনি আরো বলেন,বিভিন্ন সূত্রে আমরা জেনেছি আমার ভাই থাইল্যান্ডে বন্দি আছে। তিনি তার ভাই এমদাদুলকে সুস্থ্য অবস্থায় ফেরত পেতে সরকারের নিকট দাবী জানান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com