1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মন্দ ধারণার সুযোগ না দেওয়া: নবীজির জীবন থেকে একটি শিক্ষা সুনামগঞ্জে ডোবায় মাছ ধরা নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় এক ব্যক্তিরমৃত্যু সিলেটে রাষ্ট্রপতি:আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটিয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি, এখন গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই প্রধান কাজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড মরণোত্তর দেহদান করে প্রশংসায় ভাসছেন জগন্নাথপুরের যুবক লিটন দাশ বানিয়াচংয়ে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০ মদিনায় ১১ কোটি টন দুর্লভ খনিজ-ইউরেনিয়ামের সন্ধান পেল সৌদি আরব ডিএমপির কড়া বার্তা:আ.লীগের মিছিল ঠেকাতে ব্যর্থ হলে দায় নিতে হবে ওসি-ডিসিকে কোরআনের বর্ণনায় অন্তরের সুস্থতা ও অসুস্থতা ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আগুন, পদদলিত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু

ভাইয়ের নিষেধ অমান্য করে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের

  • Update Time : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭২ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

বড় ভাই মোটরসাইকেলটি গ্যারেজে রেখে আসতে বলেছিলেন। কিন্তু তার কথা না শুনে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পথেই প্রাণ গেল ছোট ভাই মোহাম্মদ ফাহিম মিয়ার (১৭)। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতুর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ প্রান্তে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফাহিম ভৈরব পৌর শহরের জগন্নাথপুর গাইনহাটি এলাকার স্বপন মিয়ার ছেলে। সে গাজীপুর শাহীন কলেজের ভৈরব শাখায় নবম শ্রেণিতে পড়ত। চার ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। তাদের আরও এক বোন রয়েছে।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার এসআই রোকনুজ্জামান জানান, রাতে আশুগঞ্জ যাওয়ার পথে ফাহিমের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে একটি অজ্ঞাত গাড়ি চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ফাহিম গুরুতর আহত হয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, মোটরসাইকেলটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। দুর্ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফাহিমের বড় ভাই আল-আমিন মিয়া বলেন, তাদের চকবাজারে একটি দোকান রয়েছে। বাবা ও চার ভাই মিলে দোকানটি পরিচালনা করেন। রোববার বাজার বন্ধ থাকায় সেদিন কর্মচারীরাও দোকানে আসেননি। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফাহিম বাড়িতে এসে গোসল করে। পরে ঘুরতে যাওয়ার জন্য বাবার কাছে মোটরসাইকেল চায়।

আল-আমিন বলেন, মোটরসাইকেলটি নিয়ে ঘুরতে যেতে নিষেধ করেছিলেন আরেক বড় ভাই মনির। তাকে মোটরসাইকেলটি গ্যারেজে রেখে আসতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু চাবি হাতে পেয়ে ফাহিম মোটরসাইকেল নিয়ে ভৈরব মেঘনা সেতুর দিকে চলে যায়। পরে আশুগঞ্জ প্রান্তে দুর্ঘটনার খবর পান তারা।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ফাহিম যে মোটরসাইকেল নিয়ে সেতু এলাকায় চলে যাবে, তা তারা বুঝতে পারেননি। রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তারা ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে চিকিৎসকের কাছ থেকে ফাহিমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন। সূত্র-সমকাল

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com