1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শাল্লায় দুইপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮ দাখিলের পর আলিমেও সর্বনিম্ন ফল করলো ইকড়ছই জামেয়া ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মাদরাসা জগন্নাথপুরে এমপি কয়ছর আহমদ, ফ্যামিলি কার্ডে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না জগন্নাথপুরে কলেজে জিপিএ-৫ শূন্যের খরা কাটলেও এবার মাদরাসায় খরা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মানবিকে সর্বোচ্চ ফেল এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ শেরে-ই-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন জগন্নাথপুরের শাহিনুর সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে আর্মেনিয়া থেকে পাভেল পার্থ- প্রাণবৈচিত্র্য সম্মেলন কি প্রাণপ্রকৃতির রক্তক্ষত আমলে নেবে যুক্তরাজ্যে স্টুডেন্ট ভিসায় নতুন নিয়ম, কার্যকর নভেম্বর থেকে

অদ্ভুত প্রথা- একজন স্বামীর ছয়জন স্ত্রী

  • Update Time : রবিবার, ১ মে, ২০১৬
  • ৫৬৯ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক:;প্রতিনিয়ত আমরা এমন কিছু ঘটনার সাথে পরিচিত হয় যেগুলো নিতান্তই অবাস্তব মনে হলেও একেবারেই সত্য। কিছু কিছু ঘটনা আমাদেরকে যেমন বিমোহিত করে ঠিক তেমনি কিছু ঘটনা আমাদেরকে চমকে দেই. কিছুদিন আগে আমরা ব্রাজিলের খোবার উপজাতীয়দের একটি হৃদয়বিদারক অমানবিক প্রথা তুলে ধরেছিলাম আপনাদের সামনে,এই খোবার সম্প্রদায়ের উঠতি বয়সী তরুনীদের যৌন সক্ষমতা প্রমান করার জন্য সমুদ্রের পাশে বালুর নিচে একদিন গলা পর্যন্ত পুতে রাখা হয় এবং এর চারপাশে সারাদিন চলে বিশেষ যোগ্য অনুষ্ঠান. ঠিক তেমনি আরো একটা ঘটনার সাথে এখন আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে চাই, এখন যে ঘটনাটি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো সেটা মধ্যযুগীয় কোন সমাজ গোষ্ঠীর বিবরণ নয় এই আধুনিক সামাজেরই ঘটনা. অনেকেই জানেন যে এশিয়ার যৌন পল্লী হিসেবে ফিলিপাইনের নাম গোটা বিশ্বজুড়ে. আর এই ফিলিপাইনের মারো সম্প্রদায়ের ভিতরে চালু আছে এক জঘন্যতম প্রথা,
এখানে প্রত্যেক পুরুষের জন্য ছয়জন স্ত্রী গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক,মারো সম্প্রদায়ের পুরুষদের কোন কাজ নেই,নারীদের প্রধান কাজ পতিতাবৃত্তি. পুরুষেরা বিয়ে করে এইসব নারীদের দিয়ে পালাক্রমে এই ব্যাবসা করিয়ে থাকে,এই রীতি দীর্ঘ দিন থেকে এদের মধ্য চলে আসছে. এই বিবাহিত নারীদের ভিতরে সবাই সন্তান ধারণ করতে পারবে না,কোন পুরুষের যদি ছয়জন বউ থাকে তাহলে সন্তান ধারণ করবে শুধুমাত্র প্রথম এবং ছোট বউ. এই ছয়জন বউ সারাদিন তাদের কাজ শেষ করে যে টাকা উপার্জন করবে সেটা রাতে এসে স্বামীর হাতে তুলে দিবে. রাতে ঘুমানোর সময় স্বামী থাকবে মাঝে এবং এই ছয়জন স্ত্রী স্বামীর চারিপাশে থাকবে. মারো সম্প্রদায়ের মহিলার বলে থাকেন যে,স্বামী হলো তাদের দেবতা আর এই দেবতাদের সেবা করা অবশ্যই তাদের কত্যর্ব,এই নিয়ম তাদের পুর্বপুরুষ মেনে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের পরবর্তী প্রজন্ম মানবে

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com