1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পড়তে-লিখতে না জেনেও ৭১ বছর বয়সে হাফেজা হলেন মিশরীয় নারী জগন্নাথপুরে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন  এক যুগপূর্তি উৎসব,মানবতার সেবায় আলোর মশাল জ্বেলে যাচ্ছে ‘স্টুডেন্টস কেয়ার জগন্নাথপুর’ প্রাথমিকের নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের যে আশ্বাস দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ১২ বছরের ভালোবাসায় মানুষের পাশে ‘স্টুডেন্টস কেয়ার জগন্নাথপুর’ পুলিশের কেউ কেউ ফ্যাসিবাদীদের তথ্য দিচ্ছেন, রাষ্ট্রদ্রোহ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের শিশুর মনে ইমানের বীজ বপন করবেন কীভাবে শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় সেজদারত যুবককে ছুরিকাঘাত

পড়তে-লিখতে না জেনেও ৭১ বছর বয়সে হাফেজা হলেন মিশরীয় নারী

  • Update Time : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

পড়তে বা লিখতে জানেন না। ছোটবেলা থেকেই রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত শুনে শুনে পবিত্র কোরআনের প্রতি তৈরি হয় গভীর ভালোবাসা। সেই ভালোবাসা থেকেই শুরু হয় কোরআন মুখস্থ করার চেষ্টা। জীবনের নানা দায়িত্ব ও প্রতিকূলতায় সেই পথ বারবার থেমে গেলেও হাল ছাড়েননি। অবশেষে ৭১ বছর বয়সে এসে পুরো কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছেন মিশরের সানা আবদেল সাত্তার নামের এক নারী। ভারতীয় উর্দু সংবাদমাধ্যম ইউএনএ নিউজের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার এই অনুপ্রেরণাদায়ী কোরআন হিফজের গল্প।

সানা আবদেল সাত্তার মিশরের মনুফিয়া প্রদেশের শোহাদা এলাকার মিত শাহালা গ্রামের বাসিন্দা। ৭১ বছর বয়সে তিনি পুরো কোরআন হিফজ সম্পন্ন করার পর বর্তমানে নিয়মিত তা পুনরাবৃত্তি করছেন। মিসরীয় সংবাদমাধ্যম মাসরাওয়ির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি প্রতিদিন প্রায় পাঁচ পারা কোরআন পুনরাবৃত্তি করেন।

সানা পড়তে বা লিখতে জানেন না। তাই অন্যদের মতো সরাসরি কোরআন গ্রন্থ পড়ে তিনি হাফেজা হননি। বরং শুনে শুনে, মনে রেখে এবং বারবার পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে তিনি পুরো কোরআন নিজের বুকে ধারণ করেছেন। জীবনের শুরুর দিক থেকেই কোরআনের সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। রেডিওতে কোরআন তিলাওয়াত শোনা ছিল তার কোরআনের সঙ্গে পরিচয়ের অন্যতম মাধ্যম।

জীবনের বিশের কোঠার শুরুতে তিনি কোরআন হিফজ শুরু করেন। তবে পথটি সহজ ছিল না। বিয়ের পর সংসারের দায়িত্ব বেড়ে যায়। তিন সন্তানের লালন-পালনের পাশাপাশি পরিবারের নানা দায়িত্ব সামলাতে হয়েছে তাকে।

এর মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়েন তার স্বামী। প্রায় ছয় মাস স্বামীর সেবাকেই তিনি নিজের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছিলেন। এ সময় কোরআন হিফজের কাজও থেমে যায়। পরে স্বামীর মৃত্যুর পরও নানা কারণে কিছু সময়ের জন্য তার হিফজের যাত্রা বন্ধ ছিল।

তবে কোরআন হিফজের ইচ্ছা থেকে সরে যাননি সানা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর তিনি আবার কোরআনের কাছে ফিরে আসেন। এমন মানুষদেরও খুঁজে নেন, যাদের সঙ্গে বসে কোরআন মুখস্থ করা এবং মুখস্থ করা অংশগুলো পরস্পরকে শুনিয়ে পুনরাবৃত্তি করা যায়।

বর্তমানে ২০ জনের বেশি নারীর সঙ্গে নিয়মিত কোরআনের মজলিসে অংশ নেন তিনি। বিভিন্ন বয়সী এসব নারী পরস্পরকে কোরআন শুনিয়ে থাকেন এবং মুখস্থ করা অংশ পুনরাবৃত্তি করেন। তার এক প্রতিবেশী ও বান্ধবীও পড়তে বা লিখতে জানেন না। তিনিও পুরো কোরআন হিফজ করেছেন।

সানার কোরআন হিফজের যাত্রার অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা হলো এক বৈঠকে পুরো কোরআন মুখস্থ থেকে তিলাওয়াত করে শোনানো। ফজরের নামাজের পর তিনি কোরআন তিলাওয়াত শুরু করেন এবং মাগরিবের সময় পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখেন। এভাবে প্রায় ১৪ ঘণ্টায় তিনি পুরো কোরআন মুখস্থ থেকে শুনিয়েছেন। মিসরীয় সংবাদমাধ্যম মাসরাওয়ির প্রতিবেদনে এই ঘটনার উল্লেখ রয়েছে।

বর্তমানে বয়সের ভারেও কোরআনের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। প্রতিদিন নিয়মিত হিফজ করা কোরআন পুনরাবৃত্তি করেন তিনি। মিসরীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বর্তমানে তার প্রতিদিনের রুটিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে কোরআন পুনরাবৃত্তি। সৌজন্যে কালবেলা.কম

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com