পরে
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট বিমান কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বিমল বণিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বাসুদেব ধর। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ—সভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার পালিত, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণতোষ আচার্য শিবু, বাংলাদেশ হিন্দু—বৌদ্ধ—খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মলয় পুরকায়স্থ এবং বাংলাদেশ হিন্দু—বৌদ্ধ—খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী । অন্যানের মধ্যে বক্তব্য দেন জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জগন্নাথপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি বিজন কুমার দেব, জামালগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক অজিত দাস,ছাতক উপজেলার সাধারণ সম্পাদক বাবুল রায়সহ
জেলা, উপজেলা ও পৌর শাখার নেতৃবৃন্দ।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা বলেন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংখ্যালঘুরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
তিনি রাষ্ট্রীয় সম—মর্যাদা, সম—অধিকার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি জেলার তাহিরপুরে সংখ্যালঘুদের মন্দিরে হামলা বাড়িঘর ভাংচুরের ঘটনায় দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। সারাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে বলেন, ৭০সালে এদেশের সংখ্যালঘু সমাজ ভোট দিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রেখেছে। ৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে দেশ স্বাধীনে ভূমিকা রাখে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে এদেশের সংখ্যালঘুরা ভোট দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কে রক্ষা করে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। দ্বিতীয় অধিবেশনে এড গৌরাঙ্গ পদ দাস সভাপতি ও বিপ্রেশ রায় বাপ্পী সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন।