1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাঙচুর করার রাজনীতির দিন এখন নেই: প্রধানমন্ত্রী তাহিরপুরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হামলায় যুবক নিহত, আহত ৪ জগন্নাথপুরে নৌকাডুবির ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এমপি, দিলেন অনুদান জগন্নাথপুরে শফিকুল আহমদ ভূঁইয়া ইসলামিক সেন্টারে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ভোটযুদ্ধ কাল:ভোটারের রায়ের অপেক্ষা সিলেটে ট্রিপল মার্ডার,বাবা-মায়ের শেষ বিদায়ে প্রবাসী সন্তানরা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ আজ আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর ইসলামের দৃষ্টিতে বন্ধুত্ব ও বিরোধের মানদণ্ড এসএসসির রেজাল্ট দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ পরীক্ষার্থী ৪ দিন পর উদ্ধার

সব ধরনের জুয়া হারাম ইসলামে হারাম

  • Update Time : বুধবার, ১২ জুন, ২০২৪
  • ১৪৫ Time View

সব ধরনের জুয়া হারাম। জুয়া খেলা কবিরা গুনাহ। জুয়া বলতে সেসব খেলাকে বোঝানো হয়, যাতে বাজি কিংবা হার-জিতের প্রশ্ন আছে। জুয়া যে ধরনেরই হোক না কেন, তা হারাম।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদাররা! নিশ্চয়ই মদ (নেশাকর দ্রব্য), জুয়া, মূর্তি ও লটারির তীর—এসব নাপাক ও গর্হিত বিষয়। শয়তানের কাজও বটে। সুতরাং এগুলো থেকে তোমরা সম্পূর্ণরূপে দূরে থাকো। তাহলে তোমরা সফল হতে পারবে।

শয়তান তো এটা চায় যে মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি হোক এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামাজ থেকে তোমরা বিরত থাকো। সুতরাং এখনো কি তোমরা এগুলো থেকে বিরত থাকবে না?’ 

(সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৯০-৯১)

উক্ত আয়াতে জুয়াকে অপবিত্র ও শয়তানের কাজ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং তা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুয়ার অনেক নতুন-পুরনো ধরন আছে। নিম্নে জুয়ার কয়েকটি ধরনের কথা উল্লেখ করা হলো—

ক.  লটারি বা ভাগ্যপরীক্ষা।

অর্থের বিনিময়ে কোনো সংস্থা বা সংগঠনের প্রাইজ বন্ড খরিদ করে বেশি, সমপরিমাণ কিংবা কম মূল্যের পুরস্কার পাওয়া অথবা একেবারেই কিছু না পাওয়া। এ পন্থা একেবারেই হারাম। চাই উক্ত লটারির অর্থ জনকল্যাণে ব্যবহার হোক না কেন। কারণ পরকালের সওয়াব ইসলামের নিষিদ্ধ কোনো পন্থায় অর্জন করা যায় না। 

খ.  জাহেলি যুগে ১০ জন লোক একত্রে মিলে একটি উট ক্রয় করত।

প্রত্যেকেই সমানভাবে উট কেনার পয়সা পরিশোধ করত। কিন্তু জবাইয়ের পর তারা লটারির মাধ্যমে শুধু সাত ভাগ নির্ধারণ করে নিতো। আর বাকি তিনজনকে কিছুই দেওয়া হতো না। এটি হচ্ছে জুয়ার প্রাচীনরূপ। 

গ.  কার্ডের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে জুয়া খেলা বর্তমান সমাজে খুবই প্রসিদ্ধ, যা ছোট-বড় কারো অজানা নয়। শুধু এর মাধ্যমে মানুষের কত টাকা যে আজ পর্যন্ত বেহাত হয়েছে বা হচ্ছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই।

ঘ.  সব ধরনের বীমা কার্যকলাপও জুয়ার অন্তর্গত। জীবন বীমা, গাড়ি বীমা, বাড়ি বীমা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বীমা, বিশেষ কোনো পণ্যের বীমা, সাধারণ বীমা ইত্যাদি। এমনকি বর্তমানে গায়ক-গায়িকারা কণ্ঠস্বর বীমাও করে থাকে। বীমাগুলোতে ভবিষ্যতে ক্ষতিপূরণস্বরূপ টাকাপ্রাপ্তির আশায় নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা জমা রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষতি সাধন হলেই ক্ষতি সমপরিমাণ টাকা পাওয়া যায়, নতুবা নয়। ক্ষতিপূরণ জমা দেওয়া টাকা থেকে কম, এর সমপরিমাণ অথবা তা থেকে অনেকগুণ বেশিও হয়ে থাকে।

চ.  জায়েজ বা বৈধ খেলাধুলা খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে পুরস্কার সংবলিত হলে তা-ও জুয়ার অন্তর্গত। কিন্তু পুরস্কারটি তৃতীয় পক্ষ থেকে হলে তা অবশ্যই জায়েজ। তবে ইসলামের কোনো ফায়েদা আছে—এমন সব খেলাধুলা পুরস্কার সংবলিত হলেও তাতে কোনো অসুবিধা নেই। আর ইসলামবিরোধী খেলাধুলা কোনোভাবেই জায়েজ নয়। চাই তাতে পুরস্কার থাকুক বা না থাকুক।

সৌজন্য কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com