1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সুনামগঞ্জে হাওরে বজ্রপাতে নৌযান শ্রমিকের মৃত্যু সাংবাদিকদের কারণেই দেশে গণতন্ত্র টিকে আছে : তথ্যমন্ত্রী বিপদ কেন আসে, এটি মানুষের পাপের ফল নাকি আল্লাহর পরীক্ষা? জগন্নাথপুরে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে মারধর, কেটে দেওয়া হলো চুল নয়াবন্দর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে নবগঠিত এডহক কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়ক যেন লুটপাটের রাজত্ব, ৪৮ কোটি টাকার সংস্কার ৩ বছরেই নাজুক  পর্তুগালে অভিবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ, বদলে গেল রেসিডেন্সের নিয়ম সুনামগঞ্জ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নতুন কমিটিতে আরতি- বিমল দায়িত্ব পেলেন   পাবনায় নিখোঁজের ৭ দিন পর মিললো বস্তাবন্দি শিশুর টুকরো মরদেহ জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সরকারি অফিসে ডিজিটাল হাজিরার নির্দেশ

থানার পাশেই থাকতেন ছদ্মবেশে, ৭ মাসে করেছেন ৬ খু ন!

  • Update Time : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৭ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
সাভার মডেল থানার ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে, সাভার প্রেসক্লাবের পাশেই পরিত্যক্ত পৌর কমিউনিটি সেন্টার। সেখানে গত সাত মাসে একে একে ছয়টি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) জোড়া লাশ উদ্ধারের পর বেরিয়ে এল এক পিলে চমকানো তথ্য। খুনি কোনো পেশাদার অপরাধী নয়, বরং থানার সামনেই ঘোরাঘুরি করা পরিচিত এক ভবঘুরে!

যেভাবে ধরা পড়ল ‘সাইকো’ সম্রাট

গত রোববার দুপুরে কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুনে পোড়া দুটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর তদন্তকারীরা আগের খুনের সময় বসানো সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাংবাদিক সোহেল রানার ধারণ করা একটি ভিডিও বিশ্লেষণ করেন। দেখা যায়, মরদেহ কাঁধে নিয়ে যাচ্ছে এক ব্যক্তি—যাকে সবাই ছদ্মবেশী ভবঘুরে হিসেবে চিনত। দ্রুত অভিযানে আটক করা হয় মশিউর রহমান খান সম্রাটকে।

সাংবাদিকের ভিডিওই বড় প্রমাণ

দৈনি ক মা নবজ মিনের প্রতিনিধি সোহেল রানা গত শুক্রবার ওই পরিত্যক্ত ভবনে এক নারী ও সম্রাটের ভিডিও ধারণ করেছিলেন। ভিডিওতে ওই নারী নিজেকে সোনিয়া বলে পরিচয় দেন। এর দুদিন পরেই সেই নারীর পোড়া মরদেহ উদ্ধার হয়। সিসিটিভি ফুটেজে সম্রাটের গতিবিধি ও ভিডিওর কথোপকথন পর্যালোচনা করে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে সম্রাটই আসল খুনি।

ভয়াবহ সিরিয়াল কিলার

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলি বলেন, “সম্রাট একজন মানসিক বিকৃত বা ‘সাইকোপ্যাথিক’ কিলার। তার নিশানায় থাকত কেবল ভবঘুরেরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে—গত সাত মাসে একই স্থানে ছয়টি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিটি খুনের ধরন ছিল অভিন্ন এবং নৃশংস। পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার ক্রাইমসিন ইউনিটের চোখে ধুলো দিয়ে সে সাভার ব্যাংক কলোনী বা লালটেক এলাকায় ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াত।”

আতঙ্কে এলাকাবাসী

থানা থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে এবং সেনাক্যাম্প ও সরকারি কলেজের পাশে এমন নৃশংস সিরিয়াল কিলিংয়ের ঘটনায় এলাকা জুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা স্তম্ভিত হয়ে বলছেন, ‘যাকে প্রতিদিন চুপচাপ বসে থাকতে বা বিড়বিড় করতে দেখতাম, সেই লোকটা যে জলজ্যান্ত খুনি—এটা ভাবতেই গা শিউরে উঠছে।’

পুলিশ সুপারের বক্তব্য

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ‘নিহতদের সবাই ভবঘুরে শ্রেণির। কেন এমন নৃশংসতা চালাত, সেই মোটিভ উদঘাটন করা জরুরি। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য সোমবার তাকে আদালতে তোলা হবে।’ সূত্র এনটিভি

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com