তৎকালীন আরব সমাজ যখন ঘোর অমানিশায় আচ্ছন্ন ছিল, মজলুমের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠছিল আকাশ-বাতাস, আর মানবসভ্যতা বঞ্চনার হিমালয়ের নিচে ডুকরে কাঁদছিল—ঠিক তখনই ন্যায়বিচারের উজ্জ্বল ধ্রুবতারা হয়ে আগমন করেন আমাদের প্রিয়
মাদক ও নেশাদ্রব্য। সমাজ ধ্বংসের ভয়ংকর হাতিয়ার। মাদকের ছোবলে ব্যক্তি, পরিবার সমাজ-সর্বত্রই বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে। এই মাদক ও নেশাদ্রব্যের আঘাতে কত সম্ভাবনা মুকুলেই ঝরে যায়। কত পরিবার চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে হয়ে
আমাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল মহান রাব্বুল আলামিন। তাই আমাদের উচিত সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করা। তিনি ছাড়া আর কেউ বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারে না। সুখ-শান্তি দিতে পারে না। এ কারণে আমাদের
ইসলামে দাড়ি রাখা একটি আবশ্যকীয় বিধান, যা একজন মুসলিমের পরিচয় বহন করে। আধুনিক যুগে অনেকে একে ঐচ্ছিক বা গুরুত্বহীন মনে করলেও, কোরআন ও হাদিসের আলোকে দাড়ি রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: মানুষ মাত্রই ভুল করে। কেউ ছোট ভুল করে, কেউ বড় গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু চিন্তা করুন, আমাদের প্রতিটি গোপন পাপ যদি সঙ্গে সঙ্গে মানুষের সামনে প্রকাশ হয়ে যেত,
আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, জান্নাত এবং জাহান্নাম পরস্পর তর্ক করল। জাহান্নাম বলল, বড় বড় দাম্ভিক ও অহংকারীরা শুধু আমার মধ্যে থাকবে। আর জান্নাত বলল, আমার
মানুষের জীবন এক বহমান নদী। জোয়ার-ভাটার মতো এখানে সুখ এবং দুঃখের পর্যায়ক্রমিক আগমন ঘটে। তবে যখনই কোনো বিপদ বা মুসিবত আমাদের স্পর্শ করে, তখনই মনে প্রশ্ন জাগে, এই বিপদ কেন
পবিত্র কোরআনের সামগ্রিক নির্দেশনার কেন্দ্রবিন্দুতে দুটি বিষয় রয়েছে, আল্লাহর হক (হুকুকুল্লাহ) ও বান্দার হক (হুকুকুল ইবাদ)। এর মধ্যে ‘আল্লাহর হক’ হলো সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য ও তাঁর সব ধরনের
একজন সৎ মানুষের জীবনের অন্যতম মূল্যবান সম্পদ হলো দায়িত্ববোধ। সভ্যতার অগ্রগতি, রাষ্ট্র/প্রতিষ্ঠানের সাফল্য এবং পারস্পরিক আস্থার মূলেও এর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। ইসলাম প্রত্যেক মানুষকেই দায়িত্বশীল আচরণের উৎসাহ দেয়। একজন মুমিনের
মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা শ্রেষ্ঠ জাতি; তোমাদের আবির্ভাব করা হয়েছে মানবজাতির কল্যাণের জন্য’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত ১১০)। রসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনো বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্যরত থাকে ততক্ষণ আল্লাহ