ইসলাম মানুষকে হালাল পথে জীবিকা উপার্জনের প্রতি উৎসাহিত করেছে। শ্রম, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, চাকরি কিংবা বৈধ যেকোনো পেশার মাধ্যমে উপার্জিত রিজিক মানুষের জীবনকে স্বচ্ছল করে এবং পরিবার ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা
মহান আল্লাহ আমাদের অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। এসব নিয়ামতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামত হলো খাদ্য। খাদ্য মানুষের জীবনধারণের ভিত্তি, শরীরের পুষ্টির উপায় এবং শক্তি ও সামর্থ্যের উৎস। আল্লাহ তাআলা আমাদের
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন গভীর ঘুমে মগ্ন থাকে, তখন শয়তান তার মাথার কাছে বসে পড়ে। তারপর যখন সে আরো গভীর
জীবনের পথচলায় দুঃখ-কষ্ট, নিপীড়ন আর কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া মানবজীবনের এক নিত্যসঙ্গী। কোরআনে আল্লাহ–তাআলা সুসংবাদ দিয়েছেন, “নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি।” (সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬) তবুও মানবমনে স্বাভাবিকভাবেই এক গভীর
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য হওয়া স্বাভাবিক, যেমন অন্য মানুষের সঙ্গেও মতভেদ হয়। যদি তাঁরা ভালোবাসা, পারস্পরিক সম্মান ও প্রজ্ঞার সঙ্গে এসব মতবিরোধ সমাধান করতে পারেন, তবে তাঁদের দাম্পত্য জীবন
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন কোথাও তিনজন একত্রে থাকে, তখন একজনকে রেখে বাকি দুজন কানাকানি করে কথা বলবে না। অন্য বর্ণনায় আছে,
মানুষের মুখের একটি কথার মূল্য কত? পৃথিবীর ইতিহাসে যত সফল সম্পর্ক ও সভ্যতা গড়ে উঠেছে, তার মূলে ছিল একটি অদৃশ্য শক্তি—বিশ্বাস। আর এই বিশ্বাসের প্রধান ভিত্তি হলো ওয়াদা রক্ষা। মানুষের
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য হওয়া স্বাভাবিক, যেমন অন্য মানুষের সঙ্গেও মতভেদ হয়। যদি তাঁরা ভালোবাসা, পারস্পরিক সম্মান ও প্রজ্ঞার সঙ্গে এসব মতবিরোধ সমাধান করতে পারেন, তবে তাঁদের
মানুষের সৌন্দর্য শুধু তার পোশাক, চেহারা কিংবা বাহ্যিক সাজসজ্জায় নয়; বরং তার চরিত্র, আচরণ ও অন্তরের পবিত্রতাতেই প্রকৃত সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটে। আর এই সৌন্দর্যের অন্যতম অলংকার হলো শালীনতা ও লজ্জাশীলতা।
জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে চলতে গেলে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং কখনো কখনো মতবিরোধ- এসবই মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে ইসলাম শুধু আবেগ বা স্বার্থের ভিত্তিতে মানুষের সম্পর্ক নির্ধারণকে সমর্থন