1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শাহজালাল মাজারে এবার মিলল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা ‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ বলে ফেসবুকে পোস্ট এসিল্যান্ডের, পরে হাসপাতালে ভর্তি জগন্নাথপুরে নাজিম উদ্দিন হত্যাকাণ্ড, এক সপ্তাহ পর গ্রেপ্তার প্রধান আসামি কারাগারে জগন্নাথপুরের আশারকান্দিতে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে কারখানার গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট সৌদি আরবের জেলে ৭৫০০ বাংলাদেশি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে: মুমিন যেভাবে অর্থসংকট সামাল ২৮ অক্টোবরের র‍্যালি ও রক্তদান কর্মসূচি সফল করার ডাক: জগন্নাথপুরে যুবদলের প্রস্তুতি সভা ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’ জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সম্মেলন সম্পন্ন শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে মাইকিং, আটক ২

রায় ফাঁস মামলা সাকার স্ত্রী-পুত্র বেকসুর খালাস, আইনজীবীর কারাদণ্ড

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৩৯৩ Time View

স্টাফ রিপোর্টার::মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর (সাকা) রায় ফাঁস মামলায় স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এছাড়া এই মামলায় সাকার আইনজীবী ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলামকে ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ ১ কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম সামসুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে অপর চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামের সহকারী আইনজীবী মেহেদী হাসান, ম্যানেজার একেএম মাহাবুবুল আহসান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী ফারুক আহমেদ ও নয়ন আলীকে সাত বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় সাকার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে তার ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে পলাতক দেখিয়েই আদালত রায় ঘোষণা করেন।

অবশ্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর পরিবারের দাবি, তাকে আইন-শৃংখলা বাহিনী গত অগাস্ট মাসে তুলে নিয়ে যায়।

গতবছর নভেম্বরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সর্বোচ্চ আদালতে রায় বহাল থাকায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

এর আগে ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ মামলায় সাকা চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।

ওইদিন সকালেই তার স্ত্রী, পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা রায় ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। তারা রায়ের খসড়া কপিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করেন।

পরদিন ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন নিবন্ধক (রেজিস্ট্রার) এ কে এম নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেন।

এরপর ৪ অক্টোবর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি এই সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। সাক্ষ্য শুরু হয় ২৮ মার্চ। এরপর বিচারিক কার্যক্রম শেষে আজ রায় ঘোষণা করলেন সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন রায়ে তারা সন্তুষ্ট। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com