1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরের মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ-এর নতুন প্রশাসক নিয়োগ জগন্নাথপুরে আইনশৃঙ্খলা সভায় পুলিশি হয়রানির অভিযোগ দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে সংঘর্ষের ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপার, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস মানসিক চাপ ও হতাশা দূর করতে ইসলামের ৫ নির্দেশনা জগন্নাথপুরে খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে সংঘর্ষে নিহত ‘দুই ভাইয়ের’ একই সঙ্গে জানাজা, পাশাপাশি কবর জগন্নাথপুরে মাদক সেবনের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কারাগারে জগন্নাথপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হানিফের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৫ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি এই মামলা থেকে চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রায়ে আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া আসামী  শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম রনি ও অর্জুন লস্করকে যবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। বাকী চার আসামি আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমানকে খালাস প্রদান করা হয়।

এরআগে সকাল ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আট আসামিকে আদালতে আনা হয়। এসময় তারা নিজেদেরকে নির্দোষ দাবী করে। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মামলার আসামিরা এজলাসের ভিতরে থাকেন। এরপর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার রায় ঘোষণা শুরু করেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান থানায় মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে আটজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে আসামিরা আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের সরাসরি মিল পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

তৎকালীন দেশজুড়ে আলোচিত হয় এই ধর্ষণকান্ড। তাই এ মামলার আসামী ধরা থেকে শুরু করে মামলার শুনানী ও বিচারিক কার্যক্রমের সর্বশেষ পর্যায় রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন ভুক্তভোগী পরিবার, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী এবং সাধারণ মানুষ। রাষ্ট্রীয় পটপরিবর্তনের পর মামলাটি গত বছরের মে মাসে দ্রুত নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ইতোমধ্যে মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ওই গৃহবধূ, তার স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। সূত্র খবরের কাগজ

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com