1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গুলশানে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রতীক নয়, সমর্থন থাকবে’ হাদিসের বাণী:রাস্তায় চলাচলের সময় যেসব আদব মেনে চলা জরুরি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থানীয় কমিটি সদস্য হলেন এমপি কয়ছর আহমদ চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেল জগন্নাথপুরের ফারহা ও পূর্বা জগন্নাথপুরে গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু মাওলানা ইমদাদুল্লাহর মৃত্যুতে কয়ছর আহমদ এমপির শোক ও সমবেদনা প্রকাশ শায়খে কাতিয়ার বড় ‘সাহেবজাদা’ মাওলানা ইমদাদুল্লাহ’র ইন্তেকাল এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, নতুন জিপিএ ৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী ইউপি নির্বাচন: দেড় দশক পর বাড়ছে প্রার্থীর জামানত ও ভোটের ব্যয়

জগন্নাথপুরে ভূঁয়া ভূমিহীন সেজে নদী বন্দোবস্ত সেচকাজ বিঘ্নিত কৃষকরা ক্ষুব্দ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭
  • ২৭৫ Time View

স্টাফ রিপোর্টার:: জগন্নাথপুরে জাল জালিয়াতি ও প্রতারনার মাধ্যমে ভূঁয়া ভূমিহীন সেজে সরকারী খাস খতিয়ান ভূক্ত নদী রকম ভূমি বন্দোবস্ত নেয়ার অভিযোগ উঠেছে একদল ভূমিখেকো চক্রের বিরুদ্ধে। উপজেলার পাটলী ইউনিয়নবাসী সম্প্রতি সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক বরাবরে কৃষকদের প্রয়োজনে নদী রকম ভূমি ভূমিখেকোচক্রের কবল থেকে রক্ষার আবেদন করেছেন। যার প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করতে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ইউনুছ আলী ও সার্ভেয়ার শাহীন মিয়া।
জেলা প্রশাসক বরাবরে এলাকাবাসীর অভিযোগপত্রে জানা যায়,পাটলী ইউনিয়নের
আসামপুর গ্রামের ধন মিয়া ও তার স্ত্রী বীণা বেগম, মৃত আখলুছ মিয়া, ছালিক মিয়া, ও তার স্ত্রী মিনারা বেগম,সুন্দর আলী, ও তার স্ত্রী মরফুল বিবি,ছালিক মিয়া,শাহিন মিয়া, সুহেল মিয়া,মৃত এলাছ মিয়াও তার স্ত্রী সাজেদা বেগম,তালেব আলী স্ত্রী রেনুয়ারা বেগম ও প্রভাকরপুর গ্রামের সাজুল ইসলাম,তার স্ত্রী খালেদা বেগম ও পাপিয়া বেগম ভূয়া ভূমিহীন সেজে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজ সৃজন করিয়া ভূমি অফিসে ভূলতথ্য উপস্থাপন করে যোগসাজসের মাধ্যমে নদী রকম ভূমি বন্দোবস্ত নেয়।
এলাকাবাসী জানান, দিগারকুল মৌজার খতিয়ান নং-০১এস.এ দাগ নং ১১৫১ শ্রেণী নদী পরিমান ১৪.৯৪ একর ভূমির মধ্যে ৭৮০একর ভূমি ভূয়া ভূমিহীন সেজে বন্দোবস্ত নিয়ে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাদের সাথে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে যোগসাজসে নিজ নিজ নামে রের্কডভূক্ত করে। বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে এলে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেন।
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, যুগ যুগ ধরে বারনা নদী চলমান নদী হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এলাকার কৃষকরা আমন ও ইরি,বোরো মৌসুমে পানি সেচ করিয়া ২০০ একর জমি চাষ করিয়া আসিতেছেন। বন্দোবস্তগ্রহিতারা পানি সেচে বাধা প্রদান করায় কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। কৃষকরার সেচ কাজের সুবিধার্থে চলমান নদী বন্দোবস্ত বাতিলের দাবি জানান। এদিকে পাটলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারি নদীর শ্রেণী পরিবর্তন করিয়া গৃহিত বন্দোবস্ত বাতিলের জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবরে সুপারিশ করেন। চেয়ারম্যান সিরাজুল হক বলেন,পাটলী ইউনিয়নের আসামপুর,চকাছিমপুর,সোনাপুর,পরম্বেশপুর ও প্রভাকরপুর গ্রামবাসীর কৃষি কাজের সুবিধার্থে ভূমিখেকোচক্রের কবল থেকে নিরীহ শান্তিপ্রিয় গ্রামবাসীর সেচসুবিধা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ নেয়ার কামনা করেন।
আসামপুর গ্রামের সুবেদ এমরান বলেন,ভূমিখেকোচক্রে ভূমি অফিসের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সাথে আতাঁত করে নদী রকম ভূমি ভূঁয়া ভূমিহীন সেজে বন্দোবস্ত নেয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। আমরা দ্রুত এই বন্দোবস্ত বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছি।
সুনাপুর গ্রামের মখছু মিয়া বলেন, যারা ভূমিহীন সেজে নদী বন্দোবস্ত নিয়েছে তাদের প্রত্যেকের নিজ নিজ নামে মালিকানাধীন জায়গা রয়েছে। এবং ভূমিখেকোচক্রের সদস্যরা প্রবাসী পরিবারভূক্ত সম্পদশালী। উক্ত জায়গাতে তাদের কোন দখলও নাই।
প্রভাকরপুর গ্রামের আক্তারুল ইসলাম গফফার জানান,সরকার যেখানে খাল বিল নদী নালা বন্দোবস্ত না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে কীভাবে চলমান নদী বন্দোবস্ত হয় তা বুঝে উঠতে পারছি না। তিনি দ্রুত বন্দোবস্ত বাতিল করে নদী উন্মুক্ত রাখার দাবি জানান।
পাটলী ইউনিয়নের ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা তহশীলদার ইউনুছ আলী বলেন শ্রেণী পরিবর্তন সাপেক্ষে ৮৩ সাল থেকে বন্দোবস্ত নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সরেজমিন দেখে বাস্তবতার আলোকে প্রতিবেদন দিব। প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ নিবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com