1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জুমার দিন কখন দোয়া কবুল হয়, হাদিসে যা বলা হয়েছে চট্রগ্রামে বন্যার্তদের মধ্যে জগন্নাথপুরের মাতৃভূমি ফাউন্ডেশনের ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ গাজী নজরু‌লের এম‌পি পদ বা‌তি‌লে স্পিকার-ইসিকে জামায়া‌তের চি‌ঠি জগন্নাথপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায়-মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার পদত্যাগ করছেন ‘আমরা চলছিলাম মদিনার দিকে, হঠাৎ দেখি কাফেলা যাচ্ছে আমেরিকার দিকে’ ষাটোর্ধ্ব বয়সে আবারো গ্রাজুয়েশন লন্ডনে শিক্ষক সৈয়দ জহুরুল হক সংবর্ধিত জগন্নাথপুরে দুই মাদকসেবীকে কারাদণ্ড, ৫ দোকানিকে অর্থদণ্ড দাবি আদায়ে অনড় ‘ককরোচ’ পার্টি দিল্লির রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ সুদ অর্থনৈতিক বৈষম্য বয়ে আনে

নানা প্রতিকূলতার পর দেশে প্রবাসী আয় বেড়েছে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০১৫
  • ৬৪৮ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক:: দেশের সাম্প্রতিক নানা শঙ্কার মধ্যেও চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় বেড়েছে। প্রবাসী আয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি বজায় থাকছে। অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ২৫৫ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে পাঠানো এক হাজার ১৭২ কোটি ডলারের তুলনায় যা ৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বেশি।
এর আগে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের দশ মাসে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ তার আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কম ছিল ৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবাসী আয় সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সামগ্রিকভাবে প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক প্রবাহ বজায় থাকলেও একক মাস হিসেবে মার্চের তুলনায় গত এপ্রিলে রেমিট্যান্স কিছুটা কমেছে। এপ্রিল মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ১২৯ কোটি ডলার। আগের মাস মার্চে যা ১৩৪ কোটি ডলার ছিল। এ হিসেবে এপ্রিলে রেমিট্যান্স কমেছে ৫ কোটি ডলার যা প্রায় ৪ শতাংশ। অবশ্য আগের অর্থবছরের এপ্রিলে আসা ১২৩ কোটি ডলারের তুলনায় এবারে তা বেড়েছে।
চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রফতানিতে ভালো প্রবৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অস্থিরতাজনিত কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমদানি চাহিদা তুলনামূলক কম হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। গত ২৯ এপ্রিল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ পরিমাণ অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের সাত মাসের বেশি আমদানি দায় মেটানো সম্ভব।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানার চার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৪০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। মার্চে যা ছিল ৪৩ কোটি ৫২ লাখ ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৭ লাখ ডলার। আগের মাসে এসেছিল এক কোটি ৭১ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৮৫ কোটি ৬৬ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের মাসে পাঠিয়েছিলেন ৮৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার।এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ৫৮ লাখ ডলার। আগের মাসে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল এক কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com