1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় অনধিকার চর্চা জাতিসংঘ অধিবেশন/ ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ইরান নিয়ে ‘বড় সিদ্ধান্তের’ পথে যুক্তরাষ্ট্র মৌলভীবাজারে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের বৈঠক বিশ্বম্ভরপুরে ৯০ বোতল বিদেশী মদ জব্দ জগন্নাথপুরে ২টি বিদ্যালয়ে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন গুণী শিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন জগন্নাথপুরের তিন শিক্ষক অসুস্থ স্ত্রীকে ওসমানী হাসপাতালে রেখেই সন্তানকে নিয়ে পালালেন স্বামী! অত:পর… চিলাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ম্যানেজিং কমিটির প্রথম কার্যবিবরণী সভা অনুষ্ঠিত ‘ইহসান’ করো, যেমন আল্লাহ শিখিয়েছেন

অন্যের ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় অনধিকার চর্চা

  • Update Time : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ Time View

মানুষের মনে কৌতূহল থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই কৌতূহল যখন সীমালঙ্ঘন করে অন্যের ব্যক্তিগত পরিসরে আঘাত হানে, তখন তা পরিণত হয় অনধিকার চর্চায়। আধুনিক যুগে প্রতিবেশীর জানালায় কুদৃষ্টি দেওয়া, আঙিনায় উঁকি দেওয়া কিংবা গোপন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যের ব্যক্তিগত মুহূর্ত চাক্ষুষ করার প্রবণতা সামাজিক শান্তি ও পারিবারিক আত্মমর্যাদাকে ভীষণভাবে ক্ষুণ্ন করে। অথচ ইসলাম মানুষের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও গোপনীয়তা রক্ষায় অত্যন্ত কঠোর ও সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে।

কারও ঘরে বা ব্যক্তিগত সীমানায় প্রবেশ করার আগে অনুমতি নেওয়া ইসলামের একটি মৌলিক বিধান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘হে ইমানদারগণ, তোমরা নিজেদের ঘর ছাড়া অন্য কারও ঘরে প্রবেশ কোরো না, যতক্ষণ না অনুমতি নাও এবং গৃহবাসীদের সালাম দাও।’ (সুরা নুর: ২৭)

পরবর্তী আয়াতে বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ‘তোমরা যদি তাতে কাউকে না পাও, তবু অনুমতি ছাড়া প্রবেশ কোরো না। আর যদি তোমাদের বলা হয়—“ফিরে যাও”, তবে ফিরে যাবে। এটাই তোমাদের জন্য অধিকতর পবিত্র।’ (সুরা নুর: ২৮)

শুধু সশরীরে প্রবেশই নয়, দূর থেকে বা আড়াল থেকে অন্যের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে চর্চা করা কিংবা গোপনে খবর অনুসন্ধান করাও ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা সুনির্দিষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, ‘এবং তোমরা একে অপরের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান কোরো না।’ (সুরা হুজুরাত: ১২)

অন্যের ঘরের দিকে অনধিকার নজর দেওয়ার মানসিকতাকে হাদিস শরিফে অত্যন্ত শক্ত ভাষায় ধিক্কার জানানো হয়েছে। সাহল ইবনে সাদ (রা.) বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি মহানবী (সা.)-এর কক্ষে গোপনে উঁকি দিল। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাতে একটি চিরুনি ছিল, যা দিয়ে তিনি মাথা আঁচড়াচ্ছিলেন। লোকটিকে দেখে রাসুলুল্লাহ (সা.) কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘আমি যদি আগে থেকে জানতাম তুমি এভাবে উঁকি দিচ্ছ, তবে এটি দিয়ে তোমার চোখ ফুটো করে দিতাম!’ অতঃপর তিনি বলেন, ‘অনুমতি চাওয়ার এই বিধান তো মূলত দৃষ্টির সংযত রাখার স্বার্থেই প্রবর্তন করা হয়েছে।’ (সহিহ বুখারি: ৬২৪১)। সৌজন্যে আজকের পত্রিকা

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com